ঢাকাWednesday , 28 February 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিক্ষক-অবকাঠামোর অভাবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ঝরে পড়ছে

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি-বেসরকারি নানা উদ্যোগের পরও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের একীভূত শিক্ষায় আনা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবকাঠামো ও প্রতিবন্ধীদের উপযোগী শিক্ষকের অভাব রয়েছে। ফলে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা কয়েক ক্লাস পরেই ঝরে পড়ছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর এনআইএলজি ভবনে সোসাইটি অব ডেফ অ্যান্ড সাইন ল্যাঙ্গুয়েজ ইউজার (এসডিএলপি) আয়োজিত ‘একীভূত শিক্ষা : প্রতিবন্ধী শিশুর অধিকার’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বিশেষজ্ঞরা।
সভায় বিশেষজ্ঞরা বলেন, দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির বইসহ শিক্ষকের ব্যবস্থা থাকলেও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উপযোগী শিক্ষক নেই। ফলে এই স্তরের শিক্ষার্থীরা কিছুদিন স্কুলে গেলেও ক্লাসের পাঠ বুঝতে না পেরে পড়ালেখায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
কিছু অভিভাবক অভিযোগ করেন, মূল ধারার স্কুলে প্রতিবন্ধী সন্তানদের ভর্তি করাতে পারেননি। কারণ, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমন্বয় না হওয়ায় ভর্তি নেওয়া হয় না। প্রতিবন্ধীদের জন্য বিশেষায়িত স্কুলে ভর্তি ফিসহ অন্যান্য খরচ বেশি হওয়ায় সেখানে ভর্তি করানো কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েরা পড়ালেখার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে ঝড়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রতিবন্ধীদের জন্য আমাদের দেশে যেসব নীতি আছে তা খুবই চমৎকার এবং তা বিদেশেও সমাদৃত। কিন্তু বড় সমস্যা হচ্ছে তা বাস্তবায়নের জায়গাটি খুবই দুর্বল।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, একীভূত শিক্ষা বিষয়ে সেসব সমস্যা তুলে ধরা হয়েছে তা আমার অজানা নয়। আমাদের সমাজে অনেক ধরনের প্রতিবন্ধী শিশু রয়েছে। একীভূত শিক্ষা ও প্রতিবন্ধী শিশুর অধিকার রক্ষায় বাস্তবমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি সরকার বাস্তবায়ন করছে।
সরকারের পাশাপাশি অভিভাবকসহ সকল স্তরের জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, পুষ্টি চাহিদা পূরণের জন্য বর্তমান সরকার পরীক্ষামূলকভাবে দেশের কয়েকটি জেলায় শিক্ষার্থীদের মাঝে উচ্চ পুষ্টিসম্পন্ন বিস্কুটসহ দুপুরের রান্না করা খাবার সরবরাহ করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এ কর্মসূচি সফল হলে জুনের মধ্যে তা সারা দেশে বাস্তবায়ন করা হবে।
আয়োজক সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ রফিক জামান এক প্রতিবেদনে বলেন, ২০১১ সালের পর থেকে সরকারি ও নতুন জাতীয়করণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিশুর অন্তর্ভূক্তি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। গত ছয় বছর ধরে প্রতিবন্ধী শিশু ভর্তির সংখ্যা ক্রমাগত হ্রাস পেলেও এর কারণ অনুসন্ধানে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি এম ওসমান খালেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাইফুল মালেক, ইউনিসেফের শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ইকবাল হোসেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ।