ঢাকাWednesday , 31 January 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাবনায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থি নেতা নিহত

Link Copied!

পাবনা প্রতিনিধি : পাবনার আমিনপুর থানার ঢালারচরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থি নেতা জুলহাস বাহিনীর প্রধান জুলহাস মণ্ডল (৪২) নিহত হয়েছেন। এ সময় বেশকিছু আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চার পুলিশ সদস্য।
মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুলহাস আমিনপুর থানার দড়িরচর মণ্ডলপাড়া গ্রামের জসিম ওরফে জেসেম মণ্ডলের ছেলে।
পাবনার পুলিশ সুপার জিহাদুল কবির জানান, বেশ কয়েকটি মামলার পলাতক আসামি ও চরমপন্থি নেতা জুলহাস মণ্ডলকে সম্প্রতি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে নিউ মার্কেট থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার তাকে পাবনার আমিনপুর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তার সহযোগী ও ব্যবহৃত অস্ত্র গোলাবারুদ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেন পুলিশকে। এরপর আমিনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুকুমার মোহন্তের নেতৃত্বে মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১টার দিকে জুলহাসকে নিয়ে ঢালারচরের দড়িরচরে অভিযানে যায় পুলিশ। ঢালারচরের বালাজ মেম্বারের মোড়ে পৌঁছলে জুলহাসের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। প্রায় ৩০ মিনিট পর সন্ত্রাসীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ জুলহাসকে উদ্ধার করে বেড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের দাবি, বন্দুকযুদ্ধে চার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তারা হলেন- এএসআই ফরিদুল ইসলাম, কনস্টেবল রেজাউল ইসলাম, নুরুল ইসলাম ও কামরুজ্জামান। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে দুটি দেশি পাইপগান, একটি দেশি পিস্তল, দুটি রাম দা, ৭ রাউন্ড বন্দুকের তাজা গুলি, এক রাউন্ড পিস্তলের গুলি, একটি গুলির খোসা, একটি ছোরা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, নিহত জুলহাস মণ্ডল চরমপন্থি দলের আঞ্চলিক নেতা ও জুলহাস বাহিনীর প্রধান ছিলেন। তিনি পাবনা, রাজবাড়ী ও কুষ্টিয়া অঞ্চলে চাঁদাবাজী, হত্যা, অপহরণ, স্থল ও নৌপথে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে আমিনপুর, রাজবাড়ী ও কুষ্টিয়া থানায় হত্যাসহ ৯টি মামলা রয়েছে। বুধবার সকালে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১০/১২ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।