ঢাকাMonday , 29 January 2018
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৬০ ভূমিহীন পরিবারের আবেদন

Link Copied!

খুলনা প্রতিনিধি : খুলনা মহানগরীর পীর খানজাহান আলী (র.) সেতুর পশ্চিম পাশে বটিয়াঘাটা উপজেলার খোলাবাড়ীয়া মৌজায় ৬০ ভূমিহীন পরিবারের বসবাস। উপকূলবর্তী উপজেলায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন গ্রামের দরিদ্র মানুষ তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছে এখানে। ২০০৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত প্রয়োজনীয় রাজস্ব দিয়ে সৈয়দপুর ট্রাস্টের এ সম্পত্তি লিজ নিয়েছে তারা।
এদিকে, ভূমিহীনদের নবায়নের সুযোগ না দিয়ে একটি স্বার্থান্বেষীমহল ভূমি থেকে তাদের উচ্ছেদ করার চক্রান্ত করছে। এ অপশক্তির হাত থেকে রক্ষা পেতে মাথা গোঁজার ঠাঁইয়ের জন্য ভূমিহীন পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর নিকট আবেদন করা হয়েছে।
রোববার করা আবেদনে বলা হয়েছে, উল্লিখিত জমির জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব দিয়ে নবায়ন করতে গেলে সৈয়দপুর ট্রাস্টের পক্ষ থেকে খুলনা জেলা প্রশাসনের কর্মচারীরা বাধ সেধেছে। কর্মচারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ট্রাস্টের সম্পত্তির আশেপাশের দখলদার ব্যক্তিদের নামেই জমি বরাদ্দ দেওয়া হবে। এই ভূমিহীনদের খাস জমিতে বসবাসের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। উল্লিখিত ট্রাস্টের সম্পত্তি নবায়নের জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন করা হলে সৈয়দপুর ট্রাস্টের সম্পত্তি কোন অবস্থায় আছে, তা জানানোর জন্য বটিয়াঘাটা উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দেওয়া হয়। এ নির্দেশের প্রেক্ষিতে গত বছরের ১৩ জুন জেলা প্রশাসনের সার্ভেয়ার তদন্ত প্রতিবেদনে ভূমিহীন ব্যক্তিদের নামে জমি বরাদ্দ এবং নবায়নের সুপারিশ করেন।
ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে মো. বাবুল হাওলাদার জানান, তারা দীর্ঘদিন এই জমিতে রাজস্ব দিয়ে বসবাস করে আসছেন। সেখানে তারা গবাদি পশু পালন ও ক্ষেতখামার গড়ে তুলেছেন। তা ছাড়া সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের কোনো বিধান নেই।
এ ব্যাপারে খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু সাঈদ মো. মঞ্জুর আলম বলেন, ‘জেলা প্রশাসনের ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করার কোনো পরিকল্পনা নেই। এখন সরকার থেকে কোনো একসনা বন্দোবস্তও দেওয়া হয় না। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভূমিহীনদের খালের দুই পাড়ে জমি বন্দোবস্ত না দিয়ে এক পাড়ে বসবাসের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভূমিদস্যুরা যাতে খাল দখল করতে না পারে সেজন্য উল্লিখিত জায়গার খালটিও খননের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।