ঢাকাSunday , 14 December 2014
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রধানমন্ত্রীর কথা রাখলো না চবি ছাত্রলীগ, সংঘর্ষে নিহত ১

Link Copied!

CUচট্টগ্রাম প্রতিনিধি : প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ও কোন্দল নিরসনের উদ্যোগের পরও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির বগিভিত্তিক দুই পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। এতে নিজ দলের এককর্মীকে গুলি করে মেরেছে ছাত্রলীগের অপর গ্রুপ।
রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চবির শাহজালাল হলের সামনে বগিভিত্তিক গ্রুপ ‘ভিএক্স’ ও ‘সিএসপি’ গ্রুপের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় নিহত ছাত্রলীগ কর্মীর নাম তাপস পাল। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী চবি ছাত্রলীগের শাটল ট্রেনের বগিভিত্তিক ‘ভিএক্স’ ও ‘সিএসপি’ দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মূলত দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিরোধের মাঝেও ক্যাম্পাসে সহঅবস্থান নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে উভয়পক্ষ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে চবি শহীদ মিনারে ফুল দিতে যায়। সেখানে সেই পুরানো আধিপত্য বিস্তার করাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের নেতাকর্মীদের মাঝে কথাকাটি হয়। এসময় গোলাগুলিতে সিএসপি গ্রুপের তাপস পাল ও রিমন নামে দুই ছাত্রলীগ কর্মী গুলিবিদ্ধ হন এবং আহত হয় অন্তত আরো ৫-৬ জন। এরমধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রিমন ও তাপসকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাপসকে মৃত ঘোষণা করেন।
হাটাহাজারী থানার ওসি মোহাম্মদ ইসমাইল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ১৫ রাউন্ড টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। শাহ আমানত হল ও শাহজালাল হলের মাঝামাঝি স্থানে অবস্থান নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
তিনি আরো জানান, এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের ২৫ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ নভেম্বর চট্টগ্রামে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চবি ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তা দ্রুত নিরসন করতে মহিউদ্দিন চৌধুরী ও নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দিনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রয়োজনে এই ধরনের ছাত্রলীগ না রাখার পক্ষেও মত দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মহিউদ্দিনের বাসায় পুলিশ, চবি প্রশাসন ও চবি ছাত্রলীগের নেতাদের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক হয়। সেখানে শান্তিপূর্ণ অবস্থান নেয়ার ঘোষণা দিলেও কয়েক দিনের মধ্যে এ সংঘর্ষে জড়ায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।