নিজস্ব প্রতিবেদক : নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ নাই হয়ে, তাই তারা ভয় পায় নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার সকালে কৃষক দলের এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছেন মির্জা ফখরুলমির্জা ফখরুল বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে আমরা ২০১৮ সালের নির্বাচনে যাবো এবং জনগণের সরকার গঠন করবো। অনেকেই বলে বিএনপি নির্বাচনে যাবে না। আমি বলতে চাই দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে নিয়ে আমরা ২০১৮ সালের নির্বাচনে জনগণের সরকার গঠন করবো। তবে সব দলের অংশগ্রহণে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হতে হবে।’
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘এই সরকার সম্পর্কে কি বলবেন, বলার কিছু বাকি নাই। কোন খারাপ কাজটা তারা করে নাই। আওয়ামী লীগ শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বেহায়ার মত বলছে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন হবে। এ সংবিধান কোনও সংবিধান। যে পার্লামেন্টে ১৫৪ জন বিনা নির্বাচনে জয়ী, সেই পার্লামেন্টে সংশোধন করে বানানো সংবিধান। আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশকে একটা ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে। পরিকল্পিতভাবে পার্লামেন্ট ধ্বংস করেছে। দলীয় লোক দিয়ে অযোগ্য এবং অথর্ব একটি প্রশাসন তৈরি করেছে। যে প্রশাসনের লোকজন দুর্নীতি ছাড়া কিছু বোঝেনা।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান বিচারপতিকে বন্দুকের নলের মুখে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার জন্য। এই হচ্ছে আওয়ামী লীগের অবদান। প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসের মুখে। টাকা দিলেই প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন মেলে। প্রধানমন্ত্রীর সততার প্রমাণ আমরা দেখতে পারছি। কনস্টেবলের চাকরি থেকে শুরু করে সবখানে টাকা নিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়। এমনকি হাসপাতালকেও বিভিন্ন দলীয় কর্মসূচির জন্য চাঁদা দিতে হয়। সব জায়গায় দুর্নীতি ছড়িয়ে গেছে, আর প্রধানমন্ত্রী নাকি সৎ নেতা।’

