ঢাকাTuesday , 31 October 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অভিষেকে সেঞ্চুরি, তৃতীয় ম্যাচে ডাবল!

Link Copied!

স্পোর্টস ডেস্ক : তখন দুর্দান্ত সব ব্যাটসম্যানে ঠাসা পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ- মুশতাক মোহাম্মদ, মজিদ খান, সাকলাইন মোহাম্মদ, জহির আব্বাস, আসিফ ইকবাল, ওয়াসিম রাজা। নতুন কারও পাকিস্তানের টেস্ট দলে ঢোকাটা তখন বেশ কঠিন। নিজের প্রতিভা দিয়ে সেই কঠিন কাজটাই করলেন ১৯ বছরের এক তরুণ। সেই তরুণ অভিষেকেই করলেন সেঞ্চুরি। তৃতীয় ম্যাচে আরো এক ধাপ এগিয়ে, করলেন ডাবল সেঞ্চুরি!  কে সেই তরুণ? নাম তার জাভেদ মিয়াঁদাদ।
সময়টা ১৯৭৬ সালের অক্টোবর মাস। পাকিস্তান সফরে এসেছিল নিউজিল্যান্ড। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্ট। মিয়াঁদাদের অভিষেক টেস্ট। কিন্তু মিয়াঁদাদ যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন, ৪৪ রানেই ৩ উইকেট হারিয়ে ভীষণ চাপে পাকিস্তান। একটু পর স্কোরটা ৪ উইকেটে ৫৫ হয়ে গেলে চাপটা পাহাড়সম হয়ে যায়।
১৯ বছরের তরুণ সেদিন চাপে নুইয়ে পড়েননি। পঞ্চম উইকেটে আসিফ ইকবালের সঙ্গে গড়েন ২৮১ রানের বড় জুটি। অভিষেক ইনিংসেই তুলে নেন সেঞ্চুরি। শুধু সেঞ্চুরি নয়, টেস্ট অভিষেকে সবচেয়ে কম বয়সে সেঞ্চুরির রেকর্ড (১৯ বছর ১১৯ দিন)। যে রেকর্ডটা এখন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফুলের দখলে (১৭ বছর ৬১ দিন)।
অভিষেকে সেঞ্চুরি করা মিয়াঁদাদ করাচিতে তৃতীয় ম্যাচেই করেন ডাবল সেঞ্চুরি। মিয়াঁদাদ ভেঙে দেন জর্জ হ্যাডলির ৪৭ বছরের পুরোনো রেকর্ড। এটি যে সবচেয়ে কম বয়সে ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ড (১৯ বছর ১৪১ দিন)। এ রেকর্ডটা এখনো অক্ষত রয়েছে। এমনকি টেস্ট ইতিহাসেই ২০ বছরের কম বয়সে ডাবল সেঞ্চুরি নেই আর কারও!
মিয়াঁদাদ সেই রেকর্ড গড়া ইনিংসটি খেলেছিলেন আজকের এই দিনেই (৩১ অক্টোবর)। টেস্টের প্রথম দিন শেষে তিনি অপরাজিত ছিলেন ১১০ রানে। দ্বিতীয় দিন সেটিকে ডাবলে রূপ দেন। খেলেন ২০৬ রানের দারুণ ইনিংস। মিয়াঁদাদ একই ম্যাচে ডাবল সেঞ্চুরি ও সেঞ্চুরির বিরল কীর্তি গড়ারও খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে আউট হন ৮৫ রানে।
তিন ম্যাচের সেই সিরিজের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন মিয়াঁদাদ। ১২৬.০০ গড়ে করেন ৫০৪ রান। পরে তিনিই হয়ে যান পাকিস্তানের সর্বকালের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান। বড়ে মিয়াঁর অভিষেক সিরিজ পাকিস্তান জিতেছিল ২-০ ব্যবধানে।