নিজস্ব প্রতিবেদক : খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হবে।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ‘রোহিঙ্গা সেবায় ২১ দিন ও নিরাপদ খাদ্য’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকাস্থ নারাণগঞ্জ জেলা সমিতি।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে কাজ করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আমরা আশাবাদী, বিশ্ব সম্প্রদায় এ ব্যাপারে এগিয়ে আসবে এবং রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নেবে।’
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আমরা একটা শৃঙ্খলার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছি, যাতে তারা সারা দেশে ছড়িয়ে না পড়ে। কিন্তু দেশের মধ্যে থাকা একটি অশুভ শক্তি চায় রোহিঙ্গারা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ুক এবং জঙ্গি তৎপরতায় জড়িয়ে পড়ুক।’
‘রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশ এক সংকটকাল অতিক্রম করছে। এই বিশাল সংখ্যক রোহিঙ্গাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা দেওয়া সহজ কথা নয়। তারপরও মানবিক কারণে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের আশ্রয় দিয়েছেন, খাবারের ব্যবস্থা করেছেন, বাসস্থান নির্মাণ করে দিচ্ছেন। সারা পৃথিবীর মানুষ তার এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে। কিন্তু দেশের একটি গোষ্ঠী প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগকে স্বাগত জানায়নি।’
খাদ্য নিরাপত্তার ব্যাপারে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘উৎপাদনের প্রথম ধাপ থেকে শুরু করে খাবারের টেবিল পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। তবে এ কাজ সরকারের একার পক্ষে সম্পন্ন করা সম্ভব না। সবাইকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করতে হবে।’
সমিতির সভাপতি গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, নারাণগঞ্জ জেলা সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম আবু হানিফ হৃদয় প্রমুখ।

