ক্রীড়া ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় দলে সাব্বির রহমানের অভিষেক তিন বছরের কিছু বেশি। তবে এর মধ্যেই অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ে পরিণত করেছেন নিজেকে। টাইগারদের অনেক জয়ের নায়কই এ তরুণ। তবে সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যাচ্ছেনা তার। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তার উপর এক রাশ আশা থাকলেও দলকে হতাশই করেছেন তিনি। আর প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার বেদনাটা এখনও পোড়ায় সাব্বিরকে। দুঃসময় ভুলে খুব শীঘ্রই রানে ফিরতে মরিয়া ২৫ বছরের এ ড্যাশিং ব্যাটসম্যান।
আগামী মাসের মাঝামাঝি সময়ে ২টি টেস্ট খেলতে ঢাকায় আসছে অস্ট্রেলিয়া। রানে ফিরতে এ সিরিজকেই লক্ষ্য করছেন কি না জানতে চাইলে সাব্বির বললেন, ‘আমি আসলে খুব মরিয়া একটা ম্যাচ খেলার জন্য। কারণ আমি শেষ তিন চার ম্যাচ ভাল খেলতে পারিনি। ওই স্মৃতি এখনও ভেতরে খোঁচা দেয়। খারাপ লাগছে। সামনে যে সিরিজই হোক না কেন টি-টুয়েন্টি হোক বা ওয়ানডে কিংবা টেস্ট, ওইখানে যদি আমি ভালো খেলতে পারি তাহলে আমি ওই স্মৃতি গুলো ভুলতে পারবো। আমি চেষ্টা করছি যে ভালো সিরিজ খেলার জন্য, সেভাবেই নিজে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
দেশের মাটিতে যতটা সফল দেশের বাইরে তেমনতা নন সাব্বির। তাই এ নিয়ে শুনতে হয় নানা সমালোচনা। তবে সমালোচনায় কান দিচ্ছেন না তিনি, নিজের ভুল শুধরে স্বরূপে ফিরে আসার প্রত্যয় ঝড়ে তার কণ্ঠে, ‘আমার জাতীয় দলের ক্যারিয়ার তিন বছর। সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিন চারটা ম্যাচ আমি খেলতে পারিনি ঠিকমত। সব মিলিয়ে যে সিরিজগুলো আমি আগে খেলেছি, বিশ্বকাপে খেলেছি, দেশের বাইরে, হোম সিরিজে মোটামুটি আমার মনে হয় ভালোই খেলেছি। তিন চারটা ম্যাচ নিয়ে একটা খেলোয়াড়কে যাচাই বাছাই করা যায় না। আমি চেষ্টা করছি কিভাবে এখান থেকে বের হয়ে আসা যায়। যেগুলো ভুল হয়েছে ওই গুলো শুধরে পরবর্তী সিরিজে ফিরে আসার জন্য।’
বাংলাদেশের একমাত্র টি-টুয়েন্টি স্পেশালিষ্ট ব্যাটসম্যান ধরা হয় সাব্বির রহমানকে। ওয়ানডেতেও সফল তিনি। টেস্ট ক্যাপ পেয়েছেন এক বছরও হয়নি। তবে এর মধ্যে এ সংস্করণে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি। বড় ইনিংস না খেলতে পারলেও পারফরম্যান্স একবারে খারাপ নয় তার। তবে নির্দিষ্ট কোন সংস্করণকে প্রাধান্য না দিয়ে তিন সংস্করণের জন্যই গড়ে উঠছেন সাব্বির, ‘এই পর্যায়ে তিনটা সংস্করণই চ্যালেঞ্জ। যদি বেশি চ্যালেঞ্জ মনে করি তাহলে বেশি চাপ মনে হবে। আমি যে সংস্করণই খেলি না কেন নিজের খেলাটা খেলতে পারি, সঠিক বল পছন্দ করে খেলতে পারি তাহলে যে কোনো সংস্করণেই ভালো খেলতে পারবো।’

