ঢাকাSunday , 8 November 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, জেমস এলেন রাত ১০টায়…

বিনোদন ডেস্ক
November 8, 2026 3:30 am
Link Copied!

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত কনসার্ট ঘিরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এক বিশাল ব্যান্ডসংগীতপ্রেমীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ব্যবস্থাপনায় এই উন্মুক্ত কনসার্টটির আয়োজন করা হয়, যাতে সহযোগিতা প্রদান করে বাংলাদেশ মিউজিক্যাল ব্যান্ডস অ্যাসোসিয়েশন। দিনব্যাপী এই আয়োজনে দেশের জনপ্রিয় সাতটি ব্যান্ড দল অংশ নেয় এবং তাদের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে হাজার হাজার দর্শক মেতে ওঠেন গান ও আনন্দের জোয়ারে।

দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিভিন্ন বয়সী মানুষ কনসার্টস্থলে জড়ো হতে শুরু করেন এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শ্রোতাদের উপস্থিতি ব্যাপক আকার ধারণ করে। বেলা সাড়ে তিনটায় মেকানিক্স ব্যান্ডের পরিবেশনার মধ্য দিয়ে মূল সংগীতানুষ্ঠান শুরু হয়, যা একে একে শিরোনামহীন, আর্টসেল, ফিডব্যাক, ওয়ারফেজ ও মাইলসের মতো জনপ্রিয় ব্যান্ডগুলোর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনায় পূর্ণতা পায়। প্রতিটি ব্যান্ড তাদের বিখ্যাত ও শ্রোতাপ্রিয় গানগুলো পরিবেশন করে উপস্থিত তরুণ ও সংগীতপ্রেমীদের মাতিয়ে রাখেন, যার মধ্যে ফিডব্যাকের অর্ধশতাব্দী পূর্তি উদ্‌যাপনের বিশেষ সূচনাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিলেন রকসংগীতের জনপ্রিয় তারকা নগরবাউল জেমস, যাঁকে একনজর দেখতে এবং তাঁর গান শুনতে রাতের বেলাও দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষা করতে দেখা যায়। নির্ধারিত সময়ের পর রাত দশটায় জেমস মঞ্চে উঠে তাঁর বিখ্যাত গান পরিবেশন শুরু করলে পুরো কনসার্ট প্রাঙ্গণ এক অভূতপূর্ব উল্লাসে ফেটে পড়ে। শিল্পীদের চমৎকার পরিবেশনা এবং দর্শকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজনটি এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করে।

আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই কনসার্টের মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষকে আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি বিপ্লবের চেতনাকে উৎসবের আমেজে ধারণ করার সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া। এত বড় একটি উন্মুক্ত আয়োজনে দর্শকদের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন এবং আয়োজকদের পক্ষ থেকেও কারিগরি ও ব্যবস্থাপনাগত বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।