নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, ‘শুদ্ধাচার মানে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ।’ তিনি বলেন, ‘শুদ্ধাচারের মধ্য দিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা যেমন নিশ্চিত হয় তেমনি সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে জনসেবা নিশ্চিত হয়। তাই শুদ্ধাচারকে জাতীয় অভ্যাসে পরিণত করতে হবে।’
মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর মহাখালীর হোটেল অবকাশে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় আয়েজিত ‘জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল : অংশীজন কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘শুদ্ধাচারের অন্যতম বিষয় হলো, সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষমতা অর্জন। অথচ দেখা যায় “সদয় সিদ্ধান্তের জন্য প্রেরণ করা হলো” এমন নোট দিয়ে অনেক কর্মকর্তা ফাইল চালিয়ে দেন। এতে করে এক পর্যায়ে সব সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর ওপর গিয়ে পড়ে। যার ফলে প্রধানমন্ত্রীর ওপর অত্যধিক চাপ সৃষ্টি হয় এবং কাজে স্থবিরতা ও দীর্ঘসূত্রিতার দেখা দেয়। যা মন্ত্রণালয়ের কাজকর্মে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। এতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নও পিছিয়ে পড়ে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।’
মন্ত্রণালয়ের সচিব এস এম গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তৃতা করেন মন্ত্রণায়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইমরান, বিটিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. নাসির উদ্দিন, বিপিসির চেয়ারম্যান আখতারুজজামান খান কবির ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সোলতান আহমেদ প্রমুখ।

