ঢাকাSunday , 1 January 2017
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জাতীয় পার্টি গণমানুষের দল

Link Copied!

gm-kaderনিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় পার্টিকে গণমানুষের দল বলে উল্লেখ করেছেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান জি এম কাদের।
তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি গণমানুষের দল। বেশির ভাগ সমর্থক কৃষক, শ্রমিক ও শ্রমজীবী মানুষ। রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় পার্টির মহাসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
জি এম কাদের বলেন, ১৯৮৬ সালের এই দিনে এই রাজনৈতিক দলটি যাত্রা শুরু করে। জাতীয় পার্টি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন দেশের অবকাঠামোর অনেক উন্নয়ন হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘শিল্পায়নসহ সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন করা হয়েছিল। দেশ ও জাতির কল্যাণে আমরা নিজেদের নিয়োজিত রাখব। এই হোক আমাদের ২০১৭ সালের সোপান।’ এ সময় তিনি এরশাদ সরকারের সময়ের ‍বিভিন্ন উন্নয়নের দিক তুলে ধরেন।
মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘জাতীয় জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আজ আমরা একত্র হয়েছি। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।
আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেন, জাতীয় পার্টি হচ্ছে গণতন্ত্র রক্ষাকারী দল। উন্নয়নের দল। সংস্কারের দল, শান্তির দল। এরশাদ ক্ষমতালোভী ছিলেন না। তিনি ক্ষমতা ধরে রাখেননি। জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ছিল গণতন্ত্রকে রক্ষা করা। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে পারি তাহলে আগামীতে আমরা ক্ষমতায় যাব। ২০১৯ সালের নির্বাচনে আমরা সরকার গঠন করব।’
এমপি সালমা ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে চারদিক দমবন্ধ পরিবেশ বিরাজ করছে। চারদিকের দমবন্ধ পরিবেশ থেকে দেশকে মুক্ত করত হবে। পল্লিবন্ধুর নয় বছরের সুন্দর দিনগুলো দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণকে নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চাই। জাতীয় পার্টি আজ জেগে উঠেছে। আসুন নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে জতীয় পার্টিকে সুসংগঠিত করি।’
প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায় বলেন, ২৬ বছরে জাতীয় পার্টি হারিয়ে যায়নি। হারিয়ে যেতে পারে না। জাতীয় পার্টি থাকবে। বিএনপি সরকার আমলে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়ামের সদস্যরা। মহাসমাবেশে যোগ দিতে সারা দেশ থেকে নেতা-কর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এসে সমাবেত হন। অনেকের হাতে ছিল লাঙ্গল।