নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য সন্তান। তাকে ঘিরে আমাদের স্বপ্ন ও আশা আছে। তিনি আমাদের ফিউচার (ভবিষ্যৎ) লিডার।
বুধবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সম্পাদকমণ্ডলীর প্রথম বৈঠক শেষে তিনি একথা বলেন। গতকাল মঙ্গলবার সম্পাদকমণ্ডলীর একাংশ ঘোষণার পর এটাই প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জয়কে নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘তাকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন আছে। তাকে জোর করে কিছু চাপিয়ে দেওয়া হবে না। ২০তম জাতীয় সম্মেলনের প্রথম দিন দুপুরের পর মঞ্চে জয়কে জোর করে তোলা হয়েছিল। আমরাই তাকে বক্তৃতা করতে বলেছি। জয় রাজি হননি। আমারা তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকতে বলেছিলাম। সে বলেছে আমি কীভাবে বিদেশে থেকে কমিটিতে থাকব।’
তিনি আরো বলেন, ‘নেতৃত্বে আসার ব্যাপারে তার আগ্রহ, সম্মতির বিষয় আছে। নেতৃত্ব চাপিয়ে দেওয়া যায় না। তা ছাড়া শেখ হাসিনা আছেন তিনিও বিষয়টি দেখবেন।’
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা সর্ব সম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছি দলের গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদকের সংখ্যা সর্বোচ্চ একশ করার যে বিধান রয়েছে, তার বাইরে যাবো না। এই কমিটির সদস্য সংখ্যা একশর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।’
বিদায়ী কমিটিতে প্রথম দিকে সহ-সম্পাদক পদে ৬০ জনের নাম ঘোষণা করা হলেও পরবর্তীতে তা কয়েক দফায় বাড়ানো হয়। তা নিয়ে দল ও গণমাধ্যমে সমালোচনা হয়।
বৈঠকে আগামী ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করেন সাধারণ সম্পাদক। কর্মসূচির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৩ নভেম্বর সকালে বনানী কবরস্থানে জাতীয় নেতাদের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।এ ছাড়া রাজশাহীতেও জেল হত্যা দিবসের পৃথক কর্মসূচি পালন করা হবে।’
অপরদিকে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কেন্দ্রীয় কমিটি বনানী কবরস্থানে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিহত বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন এবং শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত করবেন বলেও জানান তিনি।

