ঢাকাThursday , 18 August 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

Link Copied!

BNP Logoনিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ না করায় এর নেপথ্যে কোনো কারণ আছে কি না, সে বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিএনপি।
একই সঙ্গে দলটি বলছে, ওই ঘটনায় নিজ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে রিজার্ভ ব্যাংককে দায়ী করে তাদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা অত্যন্ত কঠিন হবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দিয়েও অর্থমন্ত্রী অর্থ মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির রিপোর্ট আজ অবধি প্রকাশ করেননি। অথচ সুইফট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থমন্ত্রীর কাছে সেই প্রতিবেদনটি যেমন চাওয়া হয়েছে, তেমনি ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের (আরসিবিসি) পক্ষ থেকেও প্রতিবেদনটি পেতে চেষ্টা করা হচ্ছে।’
‘অজ্ঞাত কারণে সরকার প্রতিবেদনটি জনসমক্ষে প্রকাশও করছে না, আবার অর্থ ফেরত পাবার ক্ষেত্রেও সহায়তাকারী কোনো পক্ষকে সেটা দিচ্ছে না। তাহলে তো নির্দ্বিধায় বলা যায় যে, ডাল মে কুচ কালা হ্যায়?’, বলেন বিএনপির এই নেতা।
বিপুল পরিমাণ রিজার্ভ চুরির কোনো কূলকিনারা করতে না পেরে বাংলাদেশ ব্যাংক একেকবার একেক রকম তথ্য দিচ্ছে বলেও দাবি করেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘সর্বশেষ নতুন তথ্যে এই প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, অর্থ লোপাটকারীরা মোট ৭০টি ভুয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে প্রায় ১৯৩ কোটি ডলার হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। অথচ এযাবৎকাল তারা পরিসংখ্যান দিয়েছে, ৩৫টি ভুয়া সুইফট বার্তা পাঠিয়ে এই ডাকাত চক্র ১০০ কোটি টাকা সরানোর চেষ্টা করেছিল।’
তৈরি পোশাক খাতে বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা প্রকাশ করে বিএনপির এই যুগ্ম মহাসচিব বলেন, ‘চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ সর্বাধিক সমৃদ্ধ পোশাক রপ্তানি খাত। বর্তমান অর্থবছরের প্রথম মাসে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৩.৬০ শতাংশ কমের যে সূচক, তা অব্যাহত থাকলে সমৃদ্ধ এই পোশাক রপ্তানি খাত বিপর্যস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’
‘এই ধাক্কা সামলিয়ে ওঠার সঠিক কর্মকৌশল নির্ধারণ এখন সময়ের দাবি। সে ক্ষেত্রে সরকার, পোশাক রপ্তানিকারকগণ এবং সংশ্লিষ্ট সেক্টরসমূহের বিশেষজ্ঞগণের জোরদার সমন্বিত তৎপরতা একান্ত কাম্য। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেখিয়ে আত্মতুষ্টির দিন খুব বেশি হাতে রয়েছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে না,’ বলেন সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
এ সময় বর্তমান সরকারের শামনামলে ‘আর্থিক অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি, লুটপাট এবং অর্থ পাচারের’ অভিযোগ তোলেন আলাল।
তিনি বলেন, ‘সবমিলিয়ে চোরদের রক্ষা করার জন্য বর্তমান সরকারের নিরলস প্রচেষ্টা প্রতিটি পদক্ষেপে নগ্নভাবে ফুটে উঠেছে। এর পূর্বেও অনেক আর্থিক কেলেঙ্কারির মূল হোতাদের আইনের আওতায় না এনে আওয়ামী লীগ বরং তাদের সুরক্ষা দিয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, শামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এমএ আউয়াল খান, ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।