নিজস্ব প্রতিবেদক : গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বড়ইছুটি এলাকায় এক স্বামী তার তৃতীয় স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ ওঠেছে।
রোববার সকালে পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করেছে এবং স্বামী ও তৃতীয় স্ত্রীকে আটক করেছে।
নিহতের নাম রহিমা বেগম (২৭)। অভিযুক্ত স্বামীর নাম হযরত আলী (২৮)। হযরত আলী কুড়িগ্রামের রাজারহাট নেকুরতলী গ্রামের বাসিন্দা।তার তৃতীয় স্ত্রীর নাম কাজলী বেগম (২২)। তারা বড়ইছুটি এলাকার জনৈক মো. মিজানুর রহমানের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।
কালিয়াকৈর থানার এসআই আশরাফ উদ্দিন জানান, প্রথম স্ত্রী হযরত আলীকে ছেড়ে চলে যাওয়ার পর এবং রহিমাকে তিনি বিয়ে করেন। ওই সংসারে রবিউল (৮) নামের এক ছেলে রয়েছে। প্রায় পাঁচ বছর আগে হযরত আবার কাজলী বেগমকে বিয়ে করেন। এক বছর ধরে তিনি বড়ইছুটি গ্রামের মিজানুর রহমানের বাড়িতে দুই কক্ষে দুই স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস এবং বিভিন্ন কারখানায় চাকরি করছিলেন।
দাম্পত্য কলহের জেরে শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে হযরত আলী তৃতীয় স্ত্রী কাজলীকে সঙ্গে নিয়ে রহিমাকে তার ছেলের সামনে দা দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। এ সময় ছেলে ডাক-চিৎকার শুরু করলে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের আটক করে থানায় খবর দেয়।
খবর পেয়ে রোববার সকাল ৯টার দিকে তাদের আটক করে থানায় নেয় এবং লাশ উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

