স্পোর্টস ডেস্ক : ভারতের শুভেচ্ছা দূত হিসেবে রিও অলিম্পিকে গেছেন মাষ্টার ব্লাস্টার শচীন টেন্ডুলকার। গেমস ভিলেজে গিয়ে ভারতীয় অ্যাথলেটদের সঙ্গে দেখা করেছেন। শচীনের সাক্ষাৎ পাওয়াই তাদের কাছে বড় অনুপ্রেরণা। শচীন যেখানে গেছেন সেখানে ক্রিকেট প্রসঙ্গ না এসেই পারে না। এই খেলাটিকে যে তিনি অন্য মাত্রা দিয়েছেন। গোটা ক্রিকেট বিশ্বেরই ধারণা, শচীন ভারতের প্রতিনিধিত্ব করলেও তিনি অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত’র ব্যাপারেও একটু আধটু কথা বলবেন। যার আমন্ত্রণে লিটল মাস্টার অলিম্পিকে গেছেন সেই আইওসির প্রেসিডেন্ট থমাচ বাখের সঙ্গে মাঠে বসে রাগবি দেখেছেন।
খবরটি শচীনই দিয়েছেন টুইট করে। সঙ্গে এও লিখেছেন, তার কাছে আইওসি প্রধানের সঙ্গে বসে খেলা দেখাটা ছিল অন্যরকম এক অনুভূতি। এখানে শচীন নিশ্চয় ক্রিকেট নিয়েও আলাপ করেছেন! ক্রিকেট যেমন অলিম্পিকে নেই তেমনি রাগবিও ছিল না। ৯২ বছর পর রাগবি অলিম্পিকে ফিরেছে। ১৯০০ সালের প্যারিস অলিম্পিকে খেলা হয়েছিল ক্রিকেট। তারপর ক্রিকেট কখনো খেলা হয়নি অলিম্পিকে। শচীন রাগবির ফেরা দেখে অনুপ্রেরণা পেতেই পারেন।
শুধু রাগবি নয়, রিও অলিম্পিকে প্রত্যাবর্তন করেছে গলফও। ১৯০৪ সালে সেন্ট লুইস অলিম্পিকে ছিল খেলাটি। তারপর সুদীর্ঘ ১১২ বছর পর ফিরলো গলফ। ২০২০ অলিম্পিকে বেসবল ও সফট বলও ফিরবে। তাহলে ক্রিকেট কেন নয়?
ওয়ার্ল্ড রাগবির প্রধান নির্বাহী ব্রেট গসপার বলেন, ‘শচীন পুরো সময় ধরে খেলা দেখেছেন। ৯২ বছর পর খেলাটির ফেরার খোঁজখবর করেছেন। ক্রিকেটের কারণেই সম্ভবত শচীনের এই আগ্রহ।’ রাগবি-গলফের ফেরায় আশাবাদী হতেই পারে ক্রিকেট ভক্তরা। আর সেটা হলে ক্রিকেটের পরিচয় ছড়িয়ে পড়বে বিশ্বব্যাপী। এর জন্য শচীনের চেয়ে আর কে বড় ভূমিকা পালন করতে পারবে?

