ঢাকাThursday , 21 July 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তিস্তা আমাগোরে পথে বসাইছে

Link Copied!

tistaলালমনিরহাট প্রতিনিধি : তিস্তা আমাগোর জমি জিরাত সব শ্যাষ কইরা দিলে বাহে। সব কিছু ভাসায় নিয়া যায়ছে (যাচ্ছে), বসতভিটা গিল্লা খায়া ফেলায়ছে। চরের সব রাস্তাঘাট বাইংগা (ভেঙে) নিয়া আমাগোরে পথে বসাইছে।
বৃহস্পতিবার সকালে কথাগুলো বলছিলেন লালমনিরহাটের ডাউয়াবাড়ি চরের মৃত আয়নাল আলী ছেলে জাবুর আলী (৭২)।
তিস্তা ও ধরলা নদীর বন্যা ও ভাঙনে লালমনিরহাটে দেড় শতাধিক পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। বসতভিটা, আবাদি জমি হারিয়ে পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছে তিস্তার বাঁধসহ বিভিন্ন উঁচু স্থানে।
উজানের ঢলে বুধবার তিস্তা ও ধরলার বন্যার পানি জেলার কুলাঘাট, মোগলহাট, দুর্গাপুর, রাজপুর, খুনিয়াগাছ, মহিষখোচা, কাকিনা, তুষভান্ডার, ডাউয়াবাড়ি, পাটিকাপাড়া, সিন্দুনা ও দহগ্রাম ইউনিয়নের প্রায় ৬৩টি চর ও চরগ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে ভয়াবহ আকারে নদী ভাঙন শুরু হয়েছে।
কলাঘাট ইউপি চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী বলেন, ‘এর আগে ধরলার বন্যা ও ভাঙন দেখছিলাম। কিন্তু এবার ধরলা যেন পাগল হয়ে উঠেছে। সামনে ও আশপাশে যা পাচ্ছে সব কিছু লণ্ডভণ্ড করে দিয়ে চলে যাচ্ছে।’
রাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন জানান, তার ইউপির চর বেষ্টিত ১৭টি গ্রামের অবস্থা ভয়াবহ, গত ৫ দিনে অর্ধ-শত ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। চরের সব রাস্তাঘাট বিলিন হয়েছে।
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, সব থেকে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে কুলাঘাট ইউনিয়নের চর খাটামারি, চর কৈমারি ও রাজপুর ইউপির চর বেষ্টিত ১৭টি গ্রামে। এই চরগুলোর ১৫০টি পরিবারের বসতভিটা রাস্তাঘাট, ব্রিজ কালভার্ট, স্কুলগুলো তিস্তা নদীতে বিলীন হয়েছে।