ঢাকাSunday , 26 June 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সুন্দরবনে ডাকাতদের দাপটে দিশেহারা জেলে-বাওয়ালিরা

Link Copied!

dakatসাতক্ষীরা প্রতিনিধি : সুন্দরবনে ডাকাত বাহিনীর দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়েছে জেলে বাওয়ালিরা। ডাকাতরা প্রায়ই মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করছে জেলেদের। এতে করে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে এসব পরিবারগুলোতে।
একত্রিশ মে সুন্দরবনের ত্রাস মাস্টার বাহিনী অস্ত্রসহ আত্মসমর্পণ করার পরও থেমে নেই ডাকাতরা। সতের জুন বনডাকাত জাহাঙ্গীর বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ফরহাদকে আটক করে কোস্টগার্ড। বাইশ জুন মজনু বাহিনী সুন্দরবনের কলাগাছিয়া ধানঘোরা এলাকা থেকে গাবুরা ইউনিয়নের সোরা গ্রামের মজিদ গাজীর ছেলে খোকন গাজীকে পঞ্চাশ হাজার টাকা মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ করে। এরপর তেইশ জুন মজনু বাহিনী অপহরণ করে পাঁচ জেলেকে।
অপরদিকে, একই দিন শ্যামনগর থানার পুলিশ কামাল বাহিনীর সক্রিয় সদস্য খলিল মল্লিককে আটক করে। বনডাকাতদের অত্যাচারে বিপন্ন হয়ে পড়েছে সুন্দরবন নির্ভর পঁচিশ লাখ মানুষের জীবন।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে ডজন খানিক অস্ত্রধারী বনডাকাতরা সারা সুন্দরবন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। চাঁদাবাজি, অপহরণ, লুটপাট অব্যাহত রাখায় সুন্দরবনের কর্মরত জেলেরা অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। দাবিকৃত মুক্তিপণের টাকা না দিতে পারায় অনেক জেলেকে জীবন দিতে হচ্ছে বনডাকাতদের হাতে। থামছে না বনডাকাতদের চাঁদাবাজি আর মুক্তিপণের দাবিতে অপহরণ। যার কারণে অনেকেই বাপ-দাদার পেশা বদল করে অন্য পেশায় যেতে বাধ্য হচ্ছে।
সুন্দরবনে ব্যাপকভাবে বিচারণ করছে, অস্ত্রধারী ফজলু, রেজাউল, মজনু, আলিম, জাহাঙ্গীর, নোয়াভাইসহ ডজন খানিক বাহিনী। এদের মধ্যে ফজলু বাহিনীর সদস্য সংখ্যা সব চেয়ে বেশি। তবে মজনু বাহিনীর সঙ্গে সম্প্রতি বুড়িগোয়ালিনীর আইয়ুব আলী যোগ হওয়ায় এ বাহিনীরও তৎপরতা ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। এ বাহিনীর সদস্যরা সুন্দরবনের চুনকুড়ি, খোলশেবুনিয়া, চালতে বাড়ীয়া, কলাগাছিয়া, মালঞ্চসহ সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকার পাশাপাশি জেলেপল্লি এলাকাগুলোতে বিচরণ করে থাকে। বনবিভাগসহ অন্য দপ্তরকে উপেক্ষা করে পুরো সুন্দরবন জুড়ে বনডাকাত বাহিনীরা দখল নিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।
অপহরণ আর চাঁদাবাজির পাশাপাশি সুন্দরবনের মহামূল্যবান সম্পদ রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও মায়াবী হরিণ শিকার করার অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। বাহিনীর অধিকাংশের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়।
জনবল আর অস্ত্র না থাকার অভিযোগে বন বিভাগ বরাবরই নিরব। সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক সোয়েব খান বনডাকাতদের তৎপরতার কথা স্বীকার করে বলেন, ‘বন বিভাগের আয়োজনে প্রায় সময় যৌথ বাহিনী সুন্দরবনে অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া বন বিভাগের নিজস্ব নিয়মিত টহলতো আছেই।’