শেরপুর প্রতিনিধি : শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় গত বৃহস্পতিবার হঠাৎ করে ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে উপজেলা পরিষদ, ঝিনাইগাতী বাজারসহ নিম্ন এলাকাগুলো প্লাবিত হয়। পরবর্তীতে ওই পানি নেমে যাওয়ায় এবং নদীর পানি কমে গেলেও শনিবার সকাল থেকেই উপজেলার নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবারের ঢলের তোড়ে উপজেলার মহারশি নদীর রামেরকুড়া বেড়িবাঁধ, দিঘীরপাড়, বনগাঁও ও চতলের বেড়িবাঁধ ভেঙে যায়। ফলে ওই ভাঙা বাঁধ দিয়ে প্রবল বেগে পানি ঢুকে নিম্নাঞ্চল প্লবিত হয়। এদিকে আকস্মিকভাবে পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে বহু পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। প্লাবিত এলাকাগুলোর মধ্যে সারিকালীনগর, দড়িকালীনগর, দাড়িয়ারপাড়, বনগাঁও, চতল, কান্দুলী, উত্তর কান্দুলী, ধানশাইল, আয়নাপুর ও বগাডুবির নিচু এলাকার মানুষরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে।
এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সেলিম রেজা, উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোফাজ্জল হোসেন চাঁন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছেন। তবে এখনও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা যায়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কোরবান আলী জানান, এখন মাঠে কোনো ফসল না থাকায় ফসলের কোনো ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা নেই। তবে পুকুরে চাষ করা মাছের ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে স্থানীয় সংশ্লিষ্ট উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা খোঁজ খবর নিয়ে জানালে বলা যাবে কী পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে।

