নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী ১৬-৩০ জুন ফলদ বৃক্ষ রোপণ পক্ষ এবং ১৬-১৮ জুন ৩ দিনব্যাপী জাতীয় ফল প্রদর্শনীর আয়োজন করা হচ্ছে। এ উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কৃষি তথ্য সার্ভিস কর্তৃক রচনা ও শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। শিশু চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আগামী ৪ জুন শনিবার দুপুর ২টায় রাজধানীর খামারবাড়িস্থ কৃষি তথ্য সার্ভিসে অনুষ্ঠিত হবে; অন্যদিকে নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর রচনা প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হয়েছে যা লিখে পাঠাতে হবে।
কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, ‘অর্থ পুষ্টি স্বাস্থ্য চান, দেশি ফল বেশি খান’ শীর্ষক বিষয়ে শিশু ও কিশোরেরা চিত্রাঙ্কন করতে পারবে। এতে ২য় শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ক গ্রুপে, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত খ গ্রুপে এবং ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত গ গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হবে। আগামী ৪ জুন শনিবার দুপুর ২টায় খামারবাড়িস্থ কৃষি তথ্য সার্ভিস (১ম বিল্ডিং, ২য় তলা)-এ আগ্রহী প্রতিযোগীদের প্রয়োজনীয় উপকরণ যেমন রং, তুলি ও বোর্ড এবং স্কুলের ছবি সম্বলিত পরিচয়পত্রসহ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। প্রতিযোগিতায় প্রত্যেক গ্রুপের বিজয়ী ৩ জনকে পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হবে এবং নির্বাচিত ছবি কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রকাশনা ‘কৃষিকথা’য় প্রকাশ করা হবে বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে, রচনা প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক গ্রুপে অন্তর্ভুক্ত হয়ে ‘দেশি ফল চাষের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা’ বিষয়ের উপর অনধিক ১ হাজার শব্দে এবং একাদশ থেকে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা ‘পুষ্টি সমৃদ্ধ জাতি গঠন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে দেশীয় ফল’ বিষয়ের উপর অনধিক ১ হাজার ৫শ’ শব্দে রচনা হাতে লিখে অথবা কম্পিউটার কম্পোজ করে আগামী ৯ জুন অফিস চলাকালীন সময়ে খামে করে ‘মিজানুর রহমান, পরিচালক, কৃষি তথ্য সার্ভিস’ বরাবর সরাসরি অথবা কুরিয়ারযোগে পাঠাতে পারবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের মাধ্যমে রচনা জমা দিতে হবে, সাথে প্রতিযোগীর ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান/শ্রেণি শিক্ষক কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে। খামের উপর প্রতিযোগিতার গ্রুপ উল্লেখ করতে হবে এবং রচনার সাথে প্রতিযোগীর পূর্ণ নাম, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম, শ্রেণি, যোগাযোগের ঠিকানা (মোবাইল, ই-মেইল যদি থাকে), অভিভাবকের নাম উল্লেখ করতে হবে। প্রতিযোগিতায় প্রতি গ্রুপের বিজয়ী ৩ জনকে পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করা হবে এবং নির্বাচিত ছবি কৃষিকথায় প্রকাশ করা হবে বলে কৃষি তথ্য সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে।

