ঢাকাTuesday , 31 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফের ৭ দিনের রিমান্ডে আসলাম চৌধুরী

Link Copied!

aslamনিজস্ব প্রতিবেদক : ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে মিলে সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ৭ দিনের রিমান্ড শেষ হবার পর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এম আসলাম চৌধুরীর ফের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার (৩১ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মারুফ হোসেন ১০ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।
এর আগে গতকাল এ আবেদনের শুনানি শুরু হলেও হাইকোর্টের একটি আদেশের দুই বিপরীতমুখী ব্যাখ্যার সুযোগ থাকায় শুনানির জন্য আজ (মঙ্গলবার) দিন ধার্য করেন আদালত। এছাড়াও গতকাল মতিঝিল ও লালবাগ থানার নাশকতার দুটি মামলাতেও দুটি পৃথক আদালতে রিমান্ড শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। মামলা দুটির রিমান্ড শুনানি আগামী ৬ জুন ধার্য করেন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম নবী ও মাযহারুল ইসলাম। এদিন এই তিন মামলায় ১০ দিন করে মোট ৩০ দিনের রিমান্ড করেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেশ কিছুদিন ধরেই সংবাদ প্রকাশ হচ্ছিল যে, সম্প্রতি ইসরায়েলের ক্ষমতাসীন লিকুদ পার্টির নেতা মেন্দি এন সাফাদির সঙ্গে নয়াদিল্লিতে একাধিক বৈঠক করেন আসলাম চৌধুরী। ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশের সরকার উৎখাত করাই ছিল এসব বৈঠকের উদ্দেশ্য। গলায় ফুলের মালা পরা অবস্থায় সাফাদি ও আসলাম চৌধুরীর একত্রে ছবিও প্রকাশিত হয় গণমাধ্যমে।
এ ছাড়াও একটি রেস্তোরাঁর এক টেবিলে এই দুজনের বসে কথা বলার ছবি প্রকাশিত হয়। ছবিগুলোর উৎস মেন্দি এন সাফাদির ব্যক্তিগত ফেসবুক পাতা ‘মেন্দি এন সাফাদি সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল ডিপ্লোমেসি অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস’। ওই পাতায় মেন্দি নিজেই ছবিগুলো প্রকাশ করেন।
গণমাধ্যমে এসব বৈঠকের ছবি ও খবর প্রকাশিত হওয়ার পর সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও সরকারি দলের নেতারা এটাকে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিএনপির সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন।
এরপর গত ১৩ মে আসলাম চৌধুরী গণমাধ্যমে বলেন, তিনি গত মার্চে ব্যক্তিগত সফরে ভারতে গেলে অন্য একজনের মাধ্যমে সাফাদির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তারা বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় একসঙ্গে ঘুরেছেন, খাওয়া দাওয়া করেছেন, কিন্তু কোনো বৈঠক করেননি।