ঢাকাFriday , 13 May 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

প্রতিশোধ নেবে বিএনপি

Link Copied!

Rizviনিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর মৃত্যুকে ‘ক্ষমতাসীন দলের চক্রান্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেছেন, ‘এই সমাজ ও রাষ্ট্র পিন্টুর মতো মানুষদের মেরে ফেলেছে। এর কোনো ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন নেই।’
শুক্রবার বাদ আসর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচতলায় চকবাজার থানা ছাত্রদল আয়োজিত এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য এ কথা বলেন রিজভী। নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর প্রথম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুকে চিকিৎসা না দিয়ে রাজশাহী কারাগারের মধ্যেই মেরে ফেলা হয়েছে। বিনা চিকিৎসায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। এই কাজটি যিনি বা যারা করেছেন সেই জেল সুপার ও সরকার মনে করছে, তারা আজীবনের জন্য ক্ষমতায় থাকবেন। কিন্তু এটি তাদের ভুল ধারণা।’
সরকারের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দিয়ে রিজভী বলেন, ‘আমরা একই সমাজে বাস করি। আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেককে চিনি। তাই আপনারা কেউ মনে করবেন না যে, আপনাদের অন্যায়-অত্যাচার-উৎপীড়নের কথা সবাই ভুলে যাচ্ছে, এগুলো লিপিবদ্ধ হচ্ছে। আপনাদের এসব অন্যায়-অবিচারের প্রতিশোধ হবে। কেউ রেহাই পাবেন না।’
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘পিন্টুকে মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর জন্য দায়ী এই সরকার ও তাদের লোকজন। আজকে বন্দুক, ক্ষমতা ও গায়ের জোরে ব্যারিস্টার তাপসরা (সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস) নেতাগিরি ফলান। আর তাদের অন্যায়কে ধামাচাপা দেয়ার জন্য বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) বিদ্রোহের মিথ্যা মামলা দিয়ে পিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হলো। কত বড় নাটক! অথচ জনগণ ভালো করেই জানে, বিডিআর বিদ্রোহে কারা জড়িত এবং সরকারের ভূমিকা কী।’
সরকার এক মহাপরিকল্পনা করেছে দাবি করে রিজভী বলেন, ‘এ পরিকল্পনায় শেখ হাসিনা ও তার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের কর্তৃত্ব থাকবে, আর আমরা সবাই প্রজা। এখানে শেখ হাসিনা হচ্ছেন মহারানী এবং তার ছেলে রাজপুত্র, আমরা সবাই চাকর-বাকর। এই হলো দেশ। এখানে গণতন্ত্র, মানুষের কথা বলার অধিকার, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বলতে কিছুই থাকবে না।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বিএনপির এ নেতা বলেন, ‘আপনারা যদি শুধু মিলাদ মাহফিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেন এবং সরকারের উৎপীড়ন ও অত্যাচারকে প্রতিহত করার জন্য মনের চেতনাকে জাগ্রত না করেন, তাহলে পিন্টুর মতো আরো অনেক ভাইকে হারাতে হবে। আর আমাদেরও পরিণতি যে কী হবে, সেটা আমরা জানি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনারা (নেতাকর্মীরা) যদি শপথে বলীয়ান না হন, তাহলে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে থাকতে এক সময় আমরা ফুরিয়ে যাবো।’
আলোচনা সভা শেষে নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা শাহ নেছারুল হক।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক আবুল খায়ের ভুঁইয়া, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, সহ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এজমল হোসেন পাইলট, নাজমুল হাসান, তরিকুল ইসলাম টিটু, প্রথম যুগ্ম-সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুইয়া প্রমুখ।