স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলে ‘মিস্টার ফিনিশার’এর তকমাটা পেয়েছিলেন নাসির হোসেন। অসম্ভব চাপের মাঝেও টলে পড়েন না। দলের অসমাপ্ত কাজটা শেষ করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। সেই নাসিরের কী হলো? ব্যাটে রান নেই মোটে! অলরাউন্ডার হিসেবে বোলিংয়েও আগের মতো ধার নেই! সব মিলে বেশ কিছুদিন জাতীয় দলে ‘উপেক্ষিত’ ক্রিকেটার হিসেবেই ছিলেন নাসির।
অবশেষে ভাগ্যদেবী হাত বাড়ালেন নাসিরের দিকে। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে রান মিলল তার ব্যাটে। মঙ্গলবার ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন তিনি। রানে ফিরলেন, তবে আক্ষেপ থাকলই। মাত্র ৩ রানের জন্য নাসিরকে সেঞ্চুরিবঞ্চিত করলেন দেওয়ান সাব্বির। কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের বিপক্ষে ৭৫ বলে ৯৭ রানের টর্নোডো ইনিংস খেলেন তিনি। নাসিরের আত্মবিশ্বাস ফিরে পাওয়ার ইনিংসটি ছিল ১১টি চার ও একটি ছক্কায় সাজানো। সাজঘরে ফিরেছেন জসিমউদ্দিনের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে।
নাসিরের অনবদ্য ৯৭ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৮ উইকেটে ২৮৭ রান তুলেছে প্রাইম দোলেশ্বর স্পোটিং ক্লাব। জয়ের জন্য কলাবাগান ক্রীড়া চক্রকে ২৮৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা ছুড়ে দিয়েছে তারা।
প্রাইম দোলেশ্বরের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৩ রান করেন ইমতিয়াজ হোসেন। ৮১ বলে ৮টি চার ও একটি ছক্কায় গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসটি সাজান তিনি। ইমতিয়াজকে সাজঘরে ফেরান আব্দুর রাজ্জাক। ৪৭ রান করেন দলীয় অধিনায়ক ফরহাদ রেজা। মাশরাফি বিন মুর্তজার শিকার হওয়ার আগে ৩৮ বলের ইনিংসটি সাজান দুটি করে চার ও ছক্কায়। ৩৪ রান আসে রকিবুল হাসানের ব্যাট থেকে।
কলাবাগানের সেরা বোলার অধিনায়ক মাশরাফি। ৯ ওভারে ৫০ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৩টি উইকেট। দুটি উইকেট করে উইকেট পেয়েছেন দেওয়ান সাব্বির ও আব্দুর রাজ্জাক। ১টি উইকেট নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন নিহাদুজ্জামান।

