ঢাকাFriday , 8 April 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যেখানে দুইশ গজ পাড়ি দিতে লাগে ১ ঘণ্টা!

Link Copied!

fly-overনিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর আবুল হোটেল থেকে মল্লিক সাহেব সসদরঘাটের উদ্দেশ্যে সুপ্রভাত (৪/এ নম্বর) পরিবহনের পাবলিক বাসে চড়ে বসেন। কোনোরকম মালিবাগ রেলগেট পার হয়ে মৌচাকের অদূরে এসে বাসটি দাঁড়িয়ে যায়। শুক্রবারেও যানজটে পড়ে বাসটি কিছুদূর এগুচ্ছে, দুলছে, রাস্তার বড়বড় গর্তে পড়ছে, আবার গর্ত পার হয়ে কিছুদূর চলছে। এভাবে ঘড়িতে সময় ফুরোতে শুরু করলো। মালিবাগ রেলগেট থেকে মালিবাগ পর্যন্ত মাত্র ২ মিনিটের রাস্তা পার হতেই তার সময় লাগলো এক ঘণ্টা।
শুক্রবার সরকারি ছুটি হলেও সপ্তাহের অন্যান্য দিনের মতোই মালিবাগ রেলগেট থেকে মালিবাগ পর্যন্ত রাস্তার পরিস্থিতিটা ছিল একই সমীকরণের। তাই সীমহীন এই যানজটের হাত থেকে বাঁচতে অনেককেই ফুটপাথ ধরে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ছুটতে দেখা যায়।
অন্যদিকে যারা এ লাইনে গাড়িতে করে পথ পাড়ি দেয়ার জন্য বসে থাকেন তারা হয়রান হয়ে ওঠেন। বিশেষ করে গাড়িতে থাকা নারী এবং শিশুরা দীর্ঘ এ সময়টাতে অস্থির হয়ে যান। এছাড়া অনেক বয়ষ্ক যাত্রীও তীব্র রোদের ভয়ে গাড়িতে বসেই ২ মিনিটের পথ এক ঘণ্টায় পার হন।
যাত্রীরা জানান, রাস্তায় ফ্লাইওভার নির্মাণের জন্য বেশ কিছুদিন ধরে রাস্তা খোড়াখুড়ির কাজ চলছে। এর ফলে রাস্তাগুলো চলাচলের অনুপোযোগী হয়ে পড়েছে। এছাড়া গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে রাস্তায় এখনো পানি জমে রয়েছে। ফলে পায়ে হেঁটে রাস্তা পারি দেয়ারও সুযোগ নেই। প্রায় সময়ই দেখা যায় গাড়ির চাকা থেকে কাঁদা ছিটে এসে গায়ের কাপড় নষ্ট করছে।
বেসরকারি কর্মকর্তা শাহেদ হোসেন বলেন, ‘কবে নাগাদ ফ্লাইওভারের কাজ শেষে হবে তা জানি না। তবে চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করে আমাদের সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার যে কাজ শুরু করেছে তাতে শহরের জনদুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।’
রামপুরা থেকে গুলিস্তানের উদ্দেশে যাওয়া শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন খিলগাঁও ঘুরে গুলিস্তান যাই। আজ শুক্রবার ছুটির দিন রাস্তা ফাঁকা আছে ভেবে এ পথ ধরে আসি। কিন্তু এসে উল্টো ফেঁসে গেলাম।’
ফ্লাইওভারের দায়িত্বরত তমা কনস্ট্রাকশনের এক কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার আর শনিবার সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় এ দু’দিন ফ্লাইওভারের কাজের চাপ বেড়ে যায়। চেষ্টা করা হচ্ছে যতো দ্রুত সম্ভব ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করা। এ জন্যই লোকজনকে একটু দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।