স্পোর্টস ডেস্ক : টি২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠার লড়াই। টসে হেরেও কোহলির ব্যাটে ১৯২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে ভারত। জবাবে শুরুতেই গেইলকে হারিয়ে ব্যাকফুটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তখন অনেকেই মনে করেছিল, ওয়েস্ট ইন্ডিজের পরাজয় সময়ের ব্যাপার। কিন্তু না, ওপেনার চার্লেসের ফিফটি, পরে সিমন্স ও রাসেলের টর্নেডো ইনিংস বদলে দেয় সবকিছু। দু্ই বল হাতে রেখেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয় পায় সাত উইকেটে। মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে তথন গেইলদের জয়োল্লাস, ধোনি শিবিরের হা-হুতাশ।
গেইলদের এমন জয়ে বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে আনন্দের বন্যা। সেটা উইন্ডিজদের সমর্থনেই। একটু ঘুড়িয়ে বললে, এই ভারতের কাছে ১ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সেই হারের তিক্ত স্মৃতি উইন্ডিজদের জয়ে স্বান্তনা পেতে চাইছিল অনেকে।
ফেসবুকে ক্রিকেটার মুশফিকই যেমন বলেছেন, এই জয়ে আমি আনন্দিত। ঘুমটা ভালো হবে। শুধু মুশফিক নয়, ফেসবুকে প্রায় সবাই উইন্ডিজদের জয়ে বিগলিত। অনেকেই বাহবা জানিয়েছেন গেইলদের। সিনিয়র এক ক্রীড়া সাংবাদিকই যেমন লিখেছেন, ‘আজ ঈদ। বাংলার ঘরে ঘরে আনন্দ’।
তাসকিন-সানির নিষেধাজ্ঞার খেদ অনেকে মেটাতে চেয়েছেন ভারতের উপর। কারণ আইসিসি অনেকটা চলে এই ভারতের নির্দেশে। সাদ্দাম হোসেন নামে একজন লিখেছেন, ‘অভিনন্দন ওয়েস্ট ইন্ডিজ… আমাদের হয়ে জচ্চোর ইন্ডিয়াকে উচিত শিক্ষা দেয়ার জন্য, সেদিনের বুকফাটা কান্নার জল মুছে দিয়ে আমাদের বুকটা কিছুটা হালকা করে দিলে…ধন্যবাদ তোমাদের…’।
রফিকুল ইসলাম কামাল তার স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘বিরাট কোহলি বিরাটাকারের ছক্কা খাইলো! উইন্ডিজ জিতে গেলো! কি আনন্দ আকাশে-বাতাসে’। সাইফুর রহমান রিপন যেন একটু বেশীই ক্ষিপ্ত, ‘চোরের দশ দিন, আর সাধুর একদিন !! বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও ধান ! এবার ফাঁন্দে পরে গেছো ওরে সোনার চাঁন !!আহ কি যে খুশি লাগতাছে !!’
অন্যদিকে শামস রহমান ছন্দে ছন্দে বলেছেন, ‘ফাটা বাঁশ করে টাস টাস, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে ইন্ডিয়া খেল বাঁশ..’। দেশের শীর্ষসারির প্রত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম একটু পরিস্কার করেই বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে বাংলাদেশ জিতেছে’। ক্রীড়া সাংবাদিক জাহিদ ইসলাম আইসিসিকে কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘লেন্ডি সিমন্স ও আন্দ্রে রাসেলের ব্যাটিং সন্দেহজনক’।
একটি স্ট্যাটাস প্রায় সবাই দিয়েছেন, ‘আহারে এত আনন্দ লাগে ক্যারে’।

