স্পোর্টস ডেস্ক : বাবার স্বপ্ন ছিল বড় হয়ে ছেলে নাম করবে, একজন ফুটবলার হিসেবে। সাকিব আল হাসানকে নিয়ে তার বাবা মাশরুর রেজার স্বপ্নটা ছিল এমনই। সাকিবের বাবাও যে ছিলেন একজন ফুটবলার। তাই ছেলে সাকিবকে নিয়ে মাশরুর রেজার এমন স্বপ্ন দেখা অবাস্তব নয়। বরং চরম বাস্তবতার নামান্তর।
কিন্তু পায়ের জাদু রেখে সাকিব জাদু দেখাতে চাইলেন হাতে। কেননা ক্রিকেট তো পায়ের খেলা নয়, ব্যাট কিংবা বল তুলে নিতে হয় হাতেই। সঙ্গে বুদ্ধি খাটিয়ে প্রতিপক্ষ বোলার কিংবা ব্যাটসম্যানকে ঘায়েল করতে হয়। হ্যাঁ, বাংলাদেশ দলে সাকিবের দায়িত্ব কিন্তু এমনই। ব্যাটে-বলে সমান তালে যিনি পারফর্ম করে যান। তিনি আর কেউ নন, নাম তার সাকিব আল হাসান। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার স্বীকৃতিই তার যোগ্য প্রতিদান।
আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় বিজ্ঞাপন সাকিবের জন্মদিন। ২৯ পেরিয়ে পা রাখলেন ৩০-এ। ১৯৮৭ সালের ২৪ মার্চ মাগুরায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। দেশসেরা ক্রিকেটার, বিশ্বেসেরা অলরাউন্ডার, ষোলো কোটি বাঙ্গালির অহংকার সাকিব। জন্মদিনে তার প্রতি রইল পাঞ্জেরীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।
এদিকে বুধবার রাতে ষষ্ঠ টি২০ বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ভালোই বোলিং করেছেন সাকিব। ৪ ওভারে ২৩ রান খরচায় নিয়েছেন ১ উইকেট। ক্রমশই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে থাকা শিখর ধাওয়ানকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি। ব্যাটিংয়েও ছিলেন চেনা ছন্দে। ১৫ বলে দুটি ছক্কা হাঁকিয়ে নামের পাশে যোগ করেন ২২ রান। স্ট্রাইক রেট ১৪৬.৬৬। শিকারে পরিণত হন রবিচন্দ্রন অশ্বিনের। ভারতীয় এই স্পিনারের বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে সুরেশ রায়নার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাকিব। ইস, তিনি আরো কিছুক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারলে বাংলাদেশকে হয়তো ১ রানের আফসোসের আগুনে পুড়তে হতো না। এ ছাড়া দারুণ এক জয়ের মাধ্যমে জন্মদিনটা রাঙাতে পারতেন সাকিবও।

