কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি : কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় ভলিবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে জুয়েল আহমেদ (২০) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, রোববার বিকেলে রৌমারী উপজেলার দক্ষিণ খঞ্জনমারা গ্রামে ভলিবল খেলাকে কেন্দ্র করে জুয়েল আহমেদের সঙ্গে একই গ্রামের মাইদুল, রাসেল, সোহেল, কামরুলসহ নয়-দশ জনের বিরোধ তৈরি হয়। এরই জের ধরে রোববার রাত ১টার দিকে স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিবর রহমানের সঙ্গে দেখা করে ফেরার সময় খঞ্জনমারা বাঁশের সাঁকো এলাকায় জুয়েল আহমেদের উপর চড়াও হয় বিরোধীরা। ধারালো ছুরি দিয়ে মাথা ও বুকসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে এলোপাথারি কোপায় তারা। পরে জুয়েল আহমেদ মারা গেছে ভেবে পাশ্ববর্তী বোরো ক্ষেতে ফেলে রেখে চলে যায় হামলাকারীরা।
জুয়েলকে উদ্ধার করে প্রথমে রৌমারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ এবং শেষে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
জুয়েল আহমেদ রৌমারী উপজেলার খঞ্জনমারা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল হকের ছেলে।
ইউপি সদস্য আজিবর রহমান বলেন, ‘জুয়েলকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়ার কিছুক্ষণ পর একটা চিৎকার শুনতে পাই। তখন আমি পাশের একটি ছেলেকে ফোন দিলে সে জানায় জুয়েলকে এলোপাথারি কোপানো হয়েছে। পরে আমি বিষয়টি পুলিশকে জানাই।’
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় রৌমারী থানায় একটি মামলা হয়েছে। আসামিরা সবাই পলাতক। তাদের গ্রেফতারে জোর প্রচেষ্টা চলছে।

