নিজস্ব প্রতিবেদক : কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ‘আমি একজন আইনজীবীর ছেলে। আমি ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি। আশা করছি ন্যায়বিচার পাবো। আমি আল্লাহর কাছেও শুকরিয়া আদায় করছি।’
আদালত থেকে বেরিয়ে মঙ্গলবার সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘প্রথমে হাইকোর্ট আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন। পরবর্তীতে আবার আমার আবেদন যথাযথ প্রক্রিয়ায় হয়নি বলে আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছিলেন। হাইকোর্টের সে আদেশের বিরুদ্ধে আমি সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল করেছিলাম। আপিলের অনুমতি পেয়েছি। আশা করছি আপিলের শুনানি শেষে ন্যায়বিচার পাবো।’
এদিকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপনির্বাচন স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। কাদের সিদ্দিকীর করা লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতিতে আবেদন) মঞ্জুর করে এ আদেশ দেন আদালত। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকীর মূল আপিলের শুনানি শুরু হবে আগামী ৩ মে। আদালতের পরবর্তী নির্দেশনা না আসা পর্যন্ত টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের উপনির্বাচন স্থগিত থাকবে।
এর আগে একবার হাইকোর্ট কাদের সিদ্দিকীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছিলেন এবং নির্বাচন স্থগিত করেছিলেন। পরবর্তীতে হাইকোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ কাদের সিদ্দিকীর আবেদন খারিজ করে দিয়েছিলেন। এর ফলে ওই আসনের স্থগিত হওয়া নির্বাচন কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছিল।
এরপর হাইকোর্টের সেই খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন কাদের সিদ্দিকী। তার আবেদন মঞ্জুর করে মঙ্গলবার ওই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে দিলেন আপিল বিভাগ।
মঙ্গলবার সকালে আপিল বিভাগ বসার পরপরই এজলাশে প্রবেশ করেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। তার পক্ষে শুনানি করেন তার আইনজীবী সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

