ঢাকাMonday , 14 March 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আন্তর্জাতিক কলরেটে পরিবর্তন আসছে

Link Copied!

BTRCনিজস্ব প্রতিবেদক : বিদেশ থেকে আগত ফোনকলের মূল্যকাঠামোয় পরিবর্তন আসছে। প্রতি মিনিট আন্তর্জাতিক ইনকামিং কল টার্মিনেশন রেটের (আইসিটিআর) সর্বনিম্ন সীমা (ফ্লোররেট) ১ দশমিক ৭৫ সেন্ট ও সর্বোচ্চ সীমা (সিলিং রেট) দুই সেন্ট করা হতে পারে।।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যলয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি সম্পর্কে নির্দেশনা জারি করতে গত ১০ মার্চ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি।
২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর বিটিআরসির এক নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক কলের প্রতি মিনিটের সর্বনিম্ন সীমা তিন সেন্ট থেকে কমিয়ে দেড় সেন্ট করা হয় । তবে এসময় কোনো সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারন করা হয়নি। এই সুযোগে বর্তমানে আন্তর্জাতিক কল বব্যস্থার নিয়ন্ত্রণকারী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে (আইজিডব্লিউ) অপারেটরস ফোরাম (আইওএফ) গত ২৪ আগস্ট সরকারকে না জানিয়ে রেট দেড় সেন্ট থেকে বাড়িয়ে দুই সেন্ট করে।
সাধারণত বিদেশ থেকে আসা প্রতিটি কল আইজিডব্লিউর মাধ্যমে দেশে প্রবেশ করে। এরপর তা আইসিএক্স (ইন্টারকানেকশন এক্সচেঞ্জ অপারেটর) এর মাধ্যমে তা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাছে যায়, যারা এএনএস (এক্সেস নেটওয়ার্ক সার্ভিস) নামে পরিচিত। অপারেটর গ্রাহকের কাছে কলটি পৌঁছে দেয়।
বর্তমানে প্রচলিত (পরীক্ষামূলক) রাজস্ব ভাগাভাগি মডেল অনুসারে প্রতি কলের (দেড় সেন্ট) অর্জিত রাজস্ব আয় থেকে ৩৫ শতাংশ বিটিআরসি আর ৬৫ শতাংশ পায় অপারেটররা। এর মধ্যে আইজডব্লিউ পায় ২০ শতাংশ, ভিএসপি পায় ৫ শতাংশ (এর ১০ শতাংশ বিটিআরসির রাজস্ব), আইসিএক্স নেয় ১৭দশমিক৫শতাংশ (এর ৬৫.৭৫ শতাংশ বিটিআরসির পাওনা), এএনএস ২২দশমকি৫ শতাংশ (এর ৫.৫ শতাংশ বিটিআরসিরকে দিতে হয়)।
আগের তিন সেন্ট কলরেটের সময় রাজস্ব ভাগাভাগির এই হার ছিল বিটিআরসি ৫১.৭৫ শতাংশ, আইজিডব্লিউ ১৩.২৫ শতাংশ, আইসিএক্স ১৫ শতাংশ এবং এএনএস (মোবাইল অপারেটর) ২০ শতাংশ।
তবে গত ২৪ অগাস্ট থেকে আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশন রেট দুই সেন্ট করা হয় হলেও সরকার, মোবাইল অপারেটর, আইসিএক্স ও ভিএসপিদের জন্য দেড় সেন্ট দাম ধরেই রাজস্ব ভাগাভাগি করা হয়। আর বর্ধিত দশমকি ৫ সেন্ট টার্মিনেশন রেটের হারে বাড়তি রাজস্বের পুরোটাই আইজিডব্লিউ অপারেটরদের পকেট যাচ্ছে।
এ পরিস্থিতিতে বিটিআরসি গত ২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক কলরেটের সর্বোচ্চ সীমা দুই সেন্ট নির্ধারণ ও রাজস্ব ভাগাভাগির পরিমাণ নতুন করে সমন্বয় করে নীতিমালা সংশোধনের একটি প্রস্তাব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এ প্রস্তাব পর্যলোচনা করতে গত ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সিদ্ধান্ত হয়, বর্তমান চালু রাজস্ব ভাগাভাগি মডেল অপরিবর্তি রেখে আইসিআরটি এর সর্বনিম্ন সীমা ১দশমিক৭৫ সেন্ট আর সর্বোচ্চ সীমা দুই সেন্ট করা যেতে পারে। রাজস্ব ভাগাভাগি হবে সর্বনিম্ন কলরেট ধরে।
এরপর বিষয়টি সম্পর্কে এ নির্দেশনা জারি করতে গত ১০ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রণালয়ে অনুমতি চেয়ে চিঠি দিয়েছে বিটিআরসি।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি চেয়ারম্যান ও আইওএফ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।