ঢাকাMonday , 29 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৭৫ পরবর্তী শাসকরা ছিলো অপদার্থ

Link Copied!

Muhitপাঞ্জেরী ডেস্ক : ভাষার মাসের শেষ দিন আজ (২৯ ফেব্রুয়ারি)। মাসব্যাপী একুশে গ্রন্থমেলারও পর্দা নামছে আজ। ভাষাশহীদদের স্মরণে এ মাসটিতে দেশের নানা প্রান্তে চলে বিভিন্ন আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও বহু জায়গায় ভাষার মাসকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন প্রবাসী বাঙালিসহ সেসব দেশের নাগরিকরা।
এরই ধারাবাহিকতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ‘৭৫ পরবর্তী শাসকরা তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের চেয়েও অপদার্থ ছিলো। তারা ভাষার মর্যাদা বুঝেনি। বাঙালি জাতীয়তাবাদকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে বাংলা ভাষা আজ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির যা জন্য করেছেন বিগত কোনো সরকার তা করতে পারেনি।’
গত শনিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে একুশের গ্রন্থমেলার উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই যে, কোন জাতি নিজেদের ভাষার জন্য আন্দোলন করে আত্মাহুতি দিয়েছে। শুধুমাত্র বাঙালি জাতিই ভাষার জন্য আন্দোলন করে প্রাণ দিয়েছে। ভারতের আসামের মানুষ তাদের ভাষার জন্য আন্দোলন করেছিল। সেখানে ১৩ জন মানুষ জীবন দিয়েছে। কিন্তু আমাদের সাথে তাদের তুলনা চলে না। আমরা এই ভাষার অধিকার আদায় করেছি ১৯৫২ সালে। ভাষা আন্দোলন থেকেই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু। সেই আন্দোলনের পথ ধরেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬৬ সালে ৬ দফা ঘোষণা করেন। যা আমাদের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি করে।’
তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানিরা কোনো মতেই আমাদের দাবি মেনে নিতে প্রস্তুত ছিলো না। যে কারণে আমরা যুদ্ধ করে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করি। ভারত আমাদের সরাসরি সর্বাত্মক সহযোগিতা করলেও যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক দেশ দেরিতে হলেও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।’
অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, ‘মধ্যযুগে অনেক দেশ স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করেছে। কিন্তু ৭০-এর দশকে শুধু আমরাই যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। দেশ স্বাধীনের পর বিশ্বব্যাংক আমাদের সহযোগিতা করেছে, জাতিসংঘ টানা তিন বছর আমাদের সহযোগিতা করেছে।’
তিনি বলেন, ‘বলতে গেলে আমরা প্রায় ২৩ বছর যুদ্ধ করেছি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যেসব সামরিক বাহিনী দেশ শাসন করেছে, তারা পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের চেয়েও অপদার্থ ছিলো। ১৯৭৫ সাল থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত কোনো গণতন্ত্র ছিলো না। ১৯৯১ সালে আমরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করি।’
নিউইয়র্কে দুদিনব্যাপী এ গ্রন্থমেলার আয়োজন করে মুক্তধারা ফাউন্ডেশন এবং বাঙালি চেতনা মঞ্চ। বিশ্বজিৎ সাহার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল মো.শামীম আহসান এনডিসি, যুক্তরাষ্ট্র সফররত সোসাল ইসলামিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) ডা. রেজাউল হক ও কেপিসি গ্রুপের চেয়ারম্যান ডা. কালী প্রদীপ চৌধুরী প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- একুশে পদকপ্রাপ্ত নাট্যকার জামালউদ্দিন হোসেন, ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, অভিনেত্রী রওশন আরা হোসেন, লেখক ফেরদৌস সাজেদীন, সাংবাদিক হাসান ফেরদৌস, নিনি ওয়াহেদ, রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন, বাঙালি চেতনা মঞ্চের চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম বাদশা, কলামিস্ট পার্থ ব্যানার্জি, সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইও আতাউর রহমান, ফাহিম রেজা নূর, সুব্রত বিশ্বাস ও জীবন বিশ্বাস প্রমুখ।