নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজপথে বিএনপির আন্দোলন না থাকলেও সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের পুঞ্জিভূত ঘৃণা ও ক্ষোভের বিস্ফোরণে তাদের বিদায় ঘটবে বলে মনে করেন দলটির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন।
রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর পুরানা পল্টনের বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন মিলনায়তনে ‘সুশাসন ও গণতন্ত্র : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ’-শীর্ষক এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ অভিমত ব্যক্ত করেন তিনি। ‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠন এ সভার আয়োজন করে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘সরকার মনে করছে, তারা বহাল তবিয়তে আছে। কারণ, রাজপথে বিএনপির কোনো আন্দোলন নেই। রাজপথে আন্দোলন না থাকলেও প্রতিটি মানুষের মনের মধ্যে আন্দোলন আছে। যেকোনো সময় এর বিস্ফোরণ ঘটতে পারে।’
এ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, ‘এই অনির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে মানুষের মধ্যে ঘৃণা ও ক্ষোভ রয়েছে, ক্রমেই তা বাড়ছে। এক সময় তার বিস্ফোরণ ঘটবে। তখন সরকারসহ কারো জন্যই তা শুভ হবে না।’
আসন্ন ইউপি নির্বাচনে বিএনপির অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে চেয়ারপারসনের এ উপদেষ্টা বলেন, ‘বেহায়া সরকারের রূপ বিশ্বের দরকারে আরো উন্মোচিত করতেই বিএনপি নির্বাচনে যাচ্ছে। নির্বাচনের নামে সরকার কিভাবে প্রহসন করে, তা আমরা বিশ্বকে দেখাতে চাই।’
নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপির আন্দোলন চলবে বলে জানান খন্দকার মাহবুব হোসেন।
বিএনপি চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘গণতন্ত্র নামে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে দেশে এখন কর্তৃত্ববাদী সরকার রয়েছে। এ ধরনের সরকার থাকলে দেশে সুশাসন ও মানবাধিকার থাকতে পারে না।’
সরকারের সমালোচনা করে যুবদল সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেছেন, ‘দেশে সুশাসন ও গণতন্ত্র বলে এখন কিছুই নেই। এ দুটি বিষয়কে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়েছে।’
‘অপরাজেয় বাংলাদেশ’র সভাপতি ফরিদা মনি শহীদুল্লাহের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন- এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈসা, জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক মিলন মেহেদী, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন কবির বেপারী প্রমুখ।

