ঢাকাSunday , 14 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অরফান ট্রাস্ট মামলায় খালেদার আবেদন খারিজ

Link Copied!

Khaledaনিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বাদীর সাক্ষ্য বাতিল চেয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।রোববার প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেয়।

আবেদন খারিজের বিষয়ে মামলার দুদক আইনজীবী খুরশীদ আলম খান বলেন, ‘দুদকের দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বাদীর সাক্ষ্য বাতিল করে নতুন সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য খালেদা জিয়া গত বছরের ১৪ জুন হাইকোর্টে ফৌজদারি রিভিশন আবেদন করেছিলেন। পরে গত ২৯ জুন হাইকোর্ট আবেদনটি খারিজ করে দেন। অবশেষে আপিল বিভাগে এসেও আবেদনটি খারিজ করে দেয়া হল।’ এর ফলে বিশেষ জজ আদালতে বাদী হারুন অর রশিদের জবানবন্দি ঠিক থাকবে বলেও জানান তিনি।

আজ (রোববার) খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন, এ জে মোহম্মদ আলী ও জয়নুল আবেদীন এবং দুদকের খুরশীদ আলম খান শুনানি করেন। আপিল বিভাগের এই আদেশের ফলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এ এই মামলার বিচার কার্যক্রম চলতে আর বাধা থাকল না।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বাদী দুদকের উপ-পরিরচালক হারুনুর রশীদের সাক্ষ্যগ্রহণ করে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে এই সাক্ষ্যগ্রহণ আইন অনুযায়ী হয়নি বলে আদালতে আবেদন জানান তার আইনজীবীরা। কিন্তু বিচারক আবু আহমেদ জমাদার আবেদন খারিজ করে দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ বহাল রাখেন।

পরে বিশেষ জজ আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন মামলা দায়ের করেন খালেদা জিয়া। হাইকোর্ট এই রিভিশন মামলা খারিজ করে রায় দেয়। এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন খালেদা জিয়া। শুনানি শেষে আপিল বিভাগও তার আবেদন খারিজ করে দেয়া হয়।

উল্লেখ্য, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে ৩ জুলাই রাজধানীর রমনা থানায় মামলা করে দুদক।

এ মামলায় খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। মামলাটি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহম্মদ জমাদারের আদালতে বিচারিক অবস্থায় রয়েছে।