ঢাকাSaturday , 13 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যে কোনো সময় পূর্ণাঙ্গ কমিটি, কিন্তু কবে?

Link Copied!

josorযশোর প্রতিনিধি : যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের এক বছর পূর্ণ হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়নি। কমিটি পাওয়ার আশায় জেলা থেকে তালিকা তৈরি করে কেন্দ্রে পাঠানো হলেও অনুমোদন শেষে তা প্রকাশ করা হয়নি।

তবে কমিটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে উল্লেখ করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) বিএম মোজাম্মেল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে কোনো সময় তা প্রকাশ করবেন।

দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি যশোর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শাহীন চাকলাদার দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হলেও সভাপতি পদে আসে নতুন মুখ। আলী রেজা রাজুকে সরিয়ে সভাপতির চেয়ার দেয়া হয় শহিদুল ইসলাম মিলনকে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের এই দুটি পদ ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় নেতারা ফিরে যান ঢাকায়। বলে যান দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে। কিন্তু নেতাদের সেই প্রতিশ্রুতি এক বছর পূর্ণ হলেও কমিটি গঠন শেষে প্রকাশ করা হয়নি।

জেলার মধ্যম সারির নেতাদের বক্তব্য, জেলা সম্মেলন হওয়ার পরপরই জেলা আওয়ামী লীগে নতুন মেরুকরণ শুরু হয়। বিদায়ী কমিটির সভাপতি আলী রেজা রাজুর অনুসারীরা কেউ এমপি কাজী নাবিল আহম্মদ-শহিদুল ইসলাম মিলনের সান্নিধ্যে যান; আবার অনেকে শাহীন চাকলাদার-রেন্টু চাকলাদারের কাছাকাছি চলে আসেন।

আওয়ামী লীগের ওই মেরুকরণের প্রভাব ছিলো যুবলীগ-ছাত্রলীগেও। ছাত্র ও যুবনেতা গ্রুপ পাল্টে কেউ শাহীন চাকলাদার আবার কেউ কাজী নাবিল সমর্থক হয়ে যান। এই পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সম্মেলনের অন্তত ছয় মাস পরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগে কাছে জেলা থেকে দুই গ্রুপ থেকে দুটি কমিটির তালিকা পৌছায়। যেটি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় উত্থাপন হয়েছে বলে জেলা নেতারা নিশ্চিত করেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের বিদায়ী কমিটির দফতর সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম বলেন, জেলা থেকে পাঠানো কমিটি এবং পূর্ণাঙ্গ কমিটির বিষয়ে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় আলোচনা হয়। সেখানে যশোরসহ খুলনা বিভাগের সব জেলা কমিটি পূর্ণাঙ্গ গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি আরও জানান, মার্চে কেন্দ্রীয় কমিটির সম্মেলন। তার আগেই যশোর জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন দেওয়া হবে বলে আমরা আশা করছি।

আর পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন প্রসঙ্গে জানতে চাইলে যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, দলের সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন ভাল মনে করবেন সেদিন দেবেন। তবে তাড়াতাড়ি ঘোষণা হতে পারে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিটি অনুমোদন হয়ে গেছে; এমন তথ্য তার জানা নেই।

এদিকে, জেলা কমিটি দ্রুত ঘোষণা করা হবে এমন খবরে পদ পেতে অনেকে কেন্দ্রে যোগাযোগ করছেন বলে একটি সূত্র দাবি করছে।

সূত্রমতে, সাবেক এক এমপি পুত্র যে কোনো মূল্যে জেলা কমিটিতে ঠাঁই পেতে চায়। তাই তার এক আত্মীয়ের মাধ্যমে দেনদরবার করছেন। আর পৌরসভা নির্বাচনে নৌকার ‘বিপক্ষে’ ভোটে নামা সাবেক এক নেতা পুনরায় আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান পেতে কেন্দ্রে চালাচ্ছেন লবিং। তবে দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করা সাবেক এমপি পুত্র এবং পৌর নির্বাচনে বিদ্রোহী হওয়া নেতা যাতে আওয়ামী লীগের কমিটিতে স্থান না পান এজন্য অন্য পক্ষটিও সক্রিয় রয়েছে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত) বিএম মোজাম্মেল হক বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্যকারীরা কমিটিতে আসতে পারবেন না। এসময় তিনি আরও বলেছেন, কমিটি হয়ে গেছে। সেটা এখন প্রধানমন্ত্রীর হাতে। যেকোন সময় ঘোষণা আসবে।