চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চিরন্তনী প্রতিকৃতিকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করে প্রচার ও প্রকাশের দায়ে সরকারদলীয় সাংসদ এমএ লতিফের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে ১৪ দল চট্টগ্রাম।
সোমবার বিকেলে ১৪ দল চট্টগ্রামের সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ দাবি করা হয়।
সভায় বলা হয়, এমএ লতিফ স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াতে ইসলামীর বিশ্বস্থ অনুচর ও অর্থ যোগানদাতা এবং আন্তর্জাতিক মাফিয়া চক্রে এ দেশীয় এজেন্ট। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সাংসদ হয়ার পরও অন্তরে পাকিস্তানকেই ধারণ করেছেন। তার সাথে জামায়াত রাজনীতির প্রত্যক্ষ সংশ্রব বারবার প্রকাশ্য হলেও ছাড় পেয়ে যাওয়ায় তিনি এবার নিজের পাকিস্তানি পোশাক পরা পূর্ণাকৃতির ছবির সাথে বঙ্গবন্ধুর মুখমণ্ডলের ছবি বসিয়ে চরম স্পর্ধা প্রদর্শন করেছেন। তার এই ঔদ্ধর্ত্যপূর্ণ অপকর্ম বাঙালি জাতিসত্তার অস্তিত্বকে ক্ষত-বিক্ষত করেছে। তার এই অপরাধ অমার্জনীয় এবং তাকে কিছুতেই ক্ষমা করা যায় না।
এমএ লতিফের অতীত ও বর্তমান কর্মকাণ্ডের সরেজমিন তদন্ত সাপেক্ষে তার ঘৃণ্য অপরাধ জাতির সামনে উন্মোচন করার জন্য জাতীয় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতি আহবান জানানো হয়।
সভায় আরো বলা হয়, চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজকে জিম্মি করে এমএ লতিফ তার লুণ্ঠনবৃত্তি ও আখের গোছানোর ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তার দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা না থাকলেও চট্টগ্রাম চেম্বারকে কুক্ষিত করে অবৈধভাবে পাহাড়সম বিত্তবৈভবের মালিক হয়েছেন।
চট্টগ্রাম চেম্বার নেতাদেরকে ব্যক্তি বিশেষের অর্থনৈতিক একছত্র আধিপত্য ও প্রভাব থেকে এই শতবর্ষীয় ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানকে মুক্ত করার আহবান জানানো হয় এ সভা থেকে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন- নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ খোরশেদ আলম সুজন, ন্যাপ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী আহামদ নাজির, জাসদ নগর সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন বাবুল, ওয়ার্কার্স পাটির সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন খালেদ সেলিম, সাম্যবাদী দলের অমূল্য বড়ুয়া, গণআজাদী লীগের মাওলানা নজরুল ইসলাম আশরাফী, জাতীয় পার্টির (জেপি) আজাদ দোভাষ, তরীকত ফেডারেশনের কাজী মো. আহসানুল মোর্শেদ কাদেরী, ন্যাপ নেতা মিটুল দাশগৃপ্ত প্রমুখ।

