ঢাকাThursday , 4 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আদালতে আসেননি খালেদা
পরবর্তী জেরা ১১ ফেব্রুয়ারি

Link Copied!

Khaledaনিজস্ব প্রতিবেদক : ‘অসুস্থ’ থাকায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়েরকৃত জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আজ আদালতে যেতে পারেননি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তাই বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষে হাজিরা দেন তার আইনজীবী বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া। শুনানি শেষে মামলার বাদি ও তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদকে চতুর্থ দিনের জেরার জন্য আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেন আদালত।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশি বাজারস্থ আলীয়া মাদরাসার মাঠে অস্থায়ী তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার সাক্ষির আংশিক জেরা শেষে মামলার পরবর্তী এ তারিখ নির্ধারণের আদেশ দেন।
এদিকে মামলার কার্যক্রমের শুরুতে আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে হাজিরা দেন তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। এসময় তিনি আদালতকে খালেদা জিয়া অসুস্থতার বিষয়ে অবহিত করে তার পক্ষে দু’টি আবেদন করেন। পরে আবেদনের শুনানি শেষ হলে আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে আসামিপক্ষে তৃতীয় দিনের জেরা করার নির্দেশ দেন।
এ সময় আদালতের নির্দেশে দুদক উপ-পরিচালক হারুন অর রশিদকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, আইনজীবী জয়নুল আবেদিন মেজবাহ। অন্যদিকে জেরা চলাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল।
পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আংশিক জেরা শেষ হলে আদালত মামলার পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিন পুনঃনির্ধারণের আদেশ দেন।
এর আগে মামলার ২৭তম সাক্ষি সোনালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের ডিজিএম আব্দুল গফুর, ২৮তম সাক্ষি এজিএম মো. হারুন অর রশীদ, ২৯তম সাক্ষি মিরপুর শিল্প এলাকা শাখার ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ ফকির এবং ৩০তম সাক্ষি জিএম আমিন উদ্দিন আহমেদকে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেরা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুর রেজ্জাক খান।
পরে মামলার ৩১তম সাক্ষি কাজি রশিদুজ্জামান ও ৩২তম সাক্ষি দুদক কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের জবানবন্দি গ্রহণ করেন প্রসিকিউটর মোশারেফ হোসেন কাজল।
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় মোট আসামি চারজন। খালেদা ছাড়া অভিযুক্ত অপর তিন আসামি হলেন- খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।
অন্যদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার আসামি মোট ছয়জন। খালেদা ছাড়া অন্য পাঁচজন হচ্ছেন- বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ও খালেদার বড় ছেলে তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।
গত ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা দায়ের করা হয়। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
অন্যদিকে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
আর এ দুই মামলার বাদি হলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ খান।