ঢাকাTuesday , 2 February 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

খালেদা জিয়ার ভারত সফরের গুঞ্জন

Link Copied!

Khaleda--নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আগামী সপ্তাহে ভারত সফরে যেতে পারেন। নয়াদিল্লীতে আগামী ১২-১৩ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড কালচারাল ফেস্টিভ্যাল-২০১৬ এ অংশ নিতে তার ভারত যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে কিছুই জানা নেই বলে দাবি বিএনপির।
সূত্র মতে, ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে খালেদা জিয়াকে ইতোমধ্যে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। তিনি সে আমন্ত্রণপত্র পেয়েছেনও। কিন্তু ফেস্টিভ্যালে যোগদানের ব্যাপারে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো আয়োজকদের কিছুই জানানো হয়নি। ওয়ার্ল্ড ফোরাম ইথিকস ইন বিজনেস ও দ্য আর্ট অব লিভিং ফাউন্ডেশন যৌথভাবে এ ফেস্টিভ্যালের আয়োজন করছে।
সূত্র আরো জানায়, ভারত সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়সূচি চূড়ান্ত হলেই আয়োজকদের ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়া হবে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের ভারত সফরের ব্যাপারে কিছুই জানেন না বলে দাবি তার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমিও শুনেছি। কিন্তু আমি কিছুই জানি না।’ খালেদা জিয়ার প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খানও এ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান।
এদিকে আগামী ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিল করতে যাচ্ছে বিএনপি। এমন প্রেক্ষাপটে খালেদা জিয়ার ভারত সফরের বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বসহকারে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তবে খালেদা জিয়া শেষ পর্যন্ত ভারত সফরে না গেলে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল সে দেশ সফরে যাবে বলে জানা গেছে।
অবশ্য ২০১২ সালের শেষদিকে খালেদা জিয়া সর্বশেষ ভারত সফরে যান। সে সময় তিনি দেশটির রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, কংগ্রেস ও বিজেপি নেতাদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠক করেন। এরপর ২০১৩ সালের ৪ মার্চ ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশ সফরে এলে খালেদা জিয়া তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি। জামায়াতের হরতাল ও নিরাপত্তাজনিত অজুহাতে ভারতীয় রাষ্ট্রপতির সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত সে বৈঠক বাতিল করেন খালেদা।
ওই ঘটনাটিকে তখন ভালোভাবে নেয়নি ভারত। দেশটি মনে করে, প্রণব মুখার্জি শুধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি। তাই প্রণব মুখার্জির সঙ্গে সাক্ষাৎ না করে খালেদা জিয়া গোটা ভারতকেই অপমান করেছেন। ওই ঘটনাকে কেন্দ্র বিএনপির সঙ্গে দিল্লীর সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়। ফলে দুঃসময়ে বিএনপি ভারত সরকারের কোনো সহানুভূতি পায়নি। তাই এ ধরনের ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে বিএনপি এখন শুধু সতর্কই নয়, দেশটির সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ের সর্বোচ্চ চেষ্টাও চালিয়ে যাচ্ছে তারা।
বিএনপির শীর্ষ নেতারা মনে করছেন, জনসমর্থন যাই থাকুক বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে কূটনৈতিক সফলতা ছাড়া বিএনপির ক্ষমতায় যাওয়া খুবই কঠিন। এ ক্ষেত্রে প্রতিবেশী ভারতের সমর্থনটা সবচেয়ে বেশি জরুরি। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভারতের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি আস্থার সম্পর্ক গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ লক্ষ্যে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির সঙ্গে ধীরে ধীরে সম্পর্কোন্নয়নের কার্যক্রম চালাচ্ছে তারা। যদিও বিজেপির সঙ্গে বিএনপির ভালো সম্পর্কই ছিল।
খালেদার ভারত সফর সম্পর্কে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেপ্টেনেন্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি এখনো আমি জানি না। এ ধরনের প্রোগ্রাম থেকে ম্যাডামকে আমন্ত্রণ জানানোতে বিএনপির জন্য ভালো। তবে সেই প্রোগ্রামে যাওয়া না যাওয়ার বিষয়টি দল সিদ্ধান্ত নেবে।’