ঝালকাঠি প্রতিনিধি : শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ এগিয়ে রয়েছে। তাই সকল আন্তর্জাতিক পুরস্কার তিনি লাভ করছেন। যারা বাংলাদেশকে মেনে নিতে পারেনি তারাই বার বার আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা করে বাংলাদেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করছে। এদেশের মানুষ তা বুঝতে পেরেছে। বিএনপির জন্ম গণতন্ত্রের মাধ্যমে নয়, তাদের জন্ম পেছনের দরজা দিয়ে। তারা অস্ত্র দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে।তাই তারা গণতন্ত্রকে মেনে নিতে পারছে না। দীর্ঘ নয় বছর পর ঝালকাঠিতে শনিবার দুপুরে ঝালকাঠির পুরাতন স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু এসব কথা বলেন।
সম্মেলন উদ্বোধন করে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেন, খালেদা জিয়া নাকে খত দিয়ে এখন নির্বাচনে এসেছেন এবং ভবিষতেও তিনি নির্বাচনে আসবেন। তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছেন আন্দোলন সংগ্রাম করে শেখ হাসিনা সরকারকে কিছুই করা যাবে না। সে জন্য সঠিক পথে এসে নির্বাচন করছেন এবং ২০১৯ সালেও তিনি নির্বাচন করবেন। ২০১৫ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে গৌরবোজ্জ্বল সাল। এ সালে আমরা পদ্মা ব্রিজ, কর্ণফুলী ট্যানেল, রূপপুর আনবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটসহ অনেক বড় বড় প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার মো. শাহ আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহাউদ্দিন নাসিম, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, সাংসদ অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ সম্ভু, বজলুল হক হারুন, জেবুনেছা আফরোজ হিরন। সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির। জাতীয় পতাকা, বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন অতিথিরা।
এ সময় জেলার চার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও ২ পৌর মেয়রসহ কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা উপস্থিত ছিলেন। সরদার মো. শাহ আলমকে সভাপতি ও অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনিরকে দ্বিতীয় বারের মতো সাধারণ সম্পাদক করে ৭১ সদস্যের ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়। সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২৪ এপ্রিল সর্বশেষ সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

