নিজস্ব প্রতিবেদক : আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহন না করে আত্মহত্যা করেছে। বিএনপি মুসলিম লীগের মতো হাওয়ায় ভেসে যাচ্ছে। এখন অনেকটা দুর্বল হয়ে গেছে। সরকার বিএনপিকে শক্তিশালী দল হিসেবে দেখতে চায়। সেই সঙ্গে জঙ্গি নেতৃত্বমুক্ত বিএনপি দেখতে চায়।
শুক্রবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজম্ম লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সন্ত্রাসীদের লালন করছেন দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, সারা পৃথিবীর জঙ্গিদের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াতের সংশ্লিষ্টতা আছে। বাংলাদেশে জঙ্গিরা বিএনপির অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে। সেটা গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গিদের জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে।
বিএনপি যুগ্ম-মহাসচিব রিজভীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার আপনাদের দল ভাঙতে চায় না। একদিকে জঙ্গিবাদ, অন্যদিকে যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গের কারণে আপনারা হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছেন। আমরা জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধীদের সঙ্গ-ত্যাগী বিএনপি দেখতে চাই। সরকারকে মিথ্যা অপবাদ না দিয়ে খালেদা জিয়াসহ জঙ্গি-যুদ্ধাপরাধীদের বাদ দিয়ে দল শক্তিশালী করুন।
সমাবেশে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, এ দেশের জঙ্গি, সন্ত্রাস, নষ্ট রাজনীতি, দেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া ও গণতন্ত্রকে ধ্বংস করার জন্য একাত্তরের ঘাতক, তাদের দোসর ও প্রেতাত্মারাই পায়তারা করছে। আমরা দেখতে চাই বাংলাদেশে সরকারি ও বিরোধী দল উভয়েই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। তাই বাংলাদেশ সরকার জঙ্গি দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহন করেছে।
বিচার বিভাগ নিয়ে বিএনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কামরুল বলেন, দেশে অতীতে ফরমায়েশি বিচার হতো। এখন দেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ন স্বাধীনভাবে বিচার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও আদালতে বিচারের সম্মুখীন হচ্ছেন। এমনকি সংসদ সদস্যও গ্রেপ্তার হচ্ছেন। বিএনপির অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
নিজ দলের নেতা-কর্মীদের সংযত হয়ে কথা বলারও পরামর্শ দেন তিনি।
আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুজাফ্ফর হোসেন পল্টু, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, সংগঠনের সভাপতি আসাদুজ্জামান দূর্জয় প্রমুখ।

