ঢাকাThursday , 14 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিশুর শরীরে পুষ্টি যোগাতে করণীয়

Link Copied!

babyলাইফস্টাইল ডেস্ক : শিশুর সুস্থতা বজায় রাখতে বাবা মায়েরা সবসময় থাকেন ব্যস্ত। তার শরীর ঠিকমত পুষ্টি পাচ্ছে কিনা, তার স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে তাদের চিন্তার অন্ত নেই। কারণ অপুষ্ট শিশুর শারীরিক নানা সমস্যা লেগেই থাকে। তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। স্বাস্থ্যর অবনতি খুব সহজেই দেখা দেয়। একই সঙ্গে শিশুর বুদ্ধির বিকাশ ব্যহত হয়। লেখাপড়ায় অমনোযোগী এবং শারীরিক বিকলঙ্গতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। তাই শিশুর সুন্দর স্বাস্থ্য ও অনাবিল ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অবশ্যই করণীয় কিছু দিক মেনে চলতে হবে। যেমন-
– শিশুর প্রথম ও একমাত্র খাবার হিসেবে ৬ মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের বুকের দুধ খাওয়াতে হবে। দুধ ছাড়া পানি খাওয়ানোরও প্রয়োজন পড়ে না। এসময় মায়ের বুকের দুধই বাচ্চার একমাত্র খাদ্য হবে।
– শিশুর বয়স ৬ মাস পূর্ণ হয়ে গেলে, মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি স্বাভাবিক পারিবারিক খাবার খাওয়ানো শুরু করে দিতে হবে।
– শিশুর শরীরে সব ধরনের পুষ্টি পেতে মিশ্র খাবার দিতে হবে। তৈরি করা যেতে পারে তেল, ডাল, চাল, শাকসবজি, ডিম, মাছ, মাংস সহযোগে পাকানো আধা তরল খাবার খিচুড়ি। শিশুদের জন্য এটি দারুণ উপযোগী খাবার।
– বুকের দুধের পাশাপাশি দুধ, মাংস, ডিম জাতীয় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার দেয়া যেতে পারে। এতে শিশুর দৈনিক খাবারের রুটিনে প্রোটিন সরবরাহ নিশ্চিত হয়।
– শিশুকে অবশ্যই সময়মত টিকা দিতে হবে। মারাত্মক কিছু শিশুরোগ প্রতিরোধ করে, শিশুর স্বাস্থ্যের সুরক্ষা করতে, এসব টিকা দেয়া জরুরি। এতে করে ওই সব রোগে আক্রান্ত হয়ে শিশুর অপুষ্টিতে ভোগার আশঙ্কা অনেকাংশে হ্রাস পায়।
– মায়ের উচিত দুইটি সন্তান গর্ভধারণের ন্যুনতম বিরতিকাল মেনে সন্তান গ্রহণ করা। এতে করে প্রতিটি শিশু পূর্ণ মেয়াদে মায়ের বুকের দুধ পান করে স্বাভাবিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারে।
– মায়ের বুকের দুধ খাওয়া বাদ হয়ে গেলে নিয়মিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস এবং শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস রাখতে হবে। বাচ্চাদের শারীরিক গড়ন স্বাভাবিক রাখতে এবং পুষ্টির চাহিদা মেটাতে অবশ্যই খাওয়া দাওয়া ঠিক রাখতে হবে।
– বাচ্চা ঠিক মতো খেতে না চাইলে জোর করে খাওয়াবেন না। তাকে নানা ভাবে বুঝিয়ে বার বার খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে। জোর করে খাওয়ালে হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।