ঢাকাWednesday , 13 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেখ হাসিনা না থাকলে যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবে না

Link Copied!

Shajahanনিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি ক্ষমতায় না থাকে, তাহলে যুদ্ধপরাধীদের বিচার হবে না। যেমন করে জিয়াউর রহমান সাহেব যুদ্ধপরাধীদের রিলিজ করে দিয়েছিলেন। এরাও কিন্তু রিলিজ করে দিবে- এমনটাই বলেছেন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেগুনবাগিচা স্বাধীনতা হলে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ গণবিচার আন্দোলনের নেতাদের বৃন্দের সাথে আলেম-ওলামাদের এক মতবিনিময় তিনি এ কথা বলেন।
নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, ‘আমার দাড়ি-টুপির বিরুদ্ধে নই। যারা ইসলামের নামে সন্ত্রাস করে, ধর্মের নামে যারা অপর্কম করে, দাড়ি-টুপি পড়ে মানুষ হত্যা করে, আমরা তাদের বিরুদ্ধে। যারা ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করে তাদের বিরুদ্ধে সরকার সোচ্চার রয়েছে।’
নৌমন্ত্রী বলেন, ‘আজ বাংলাদেশ অস্তিত্বের প্রশ্নে। এ দেশকে একটি স্থিতিশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তান বাংলাদেশকে দ্বিতীয় পাকিস্তান বানাতে চায়। এদের বিরুদ্ধেও সোচ্চার থাকতে হবে। ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আলেম-ওলামাসহ যারা আছেন তারাও এই আন্দোলনের অংশিদার। আপনাদের নিজস্ব অবস্থান এবং আমাদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আরো জোর অবস্থান সৃষ্টি করতে পারি। যুদ্ধাপরাধী দমন করতে সহজ হবে। আমাদের মূল উদ্দেশ্য হলো মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী, মানুষ হত্যাকারী, মিথ্যাচার এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটা অবস্থান নেয়া। এটাই হলো আমাদের লক্ষ্য।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বৃদ্ধিজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জনিয়ারসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ-গণবিচার মঞ্চ করতে চাই। আগামী ৩১ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমরা সমাবেশ করবো বলে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেটা আগামী ১৭ জানুয়ারি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেবো।’
সভায় বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার ইমাম শায়খুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের একজন ছিলাম। ওই সময় অনেক ওলামায় কেরামও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন। অনেকেই সক্রিয় ছিলেন, কেউ হয়তো সরাসরি নয় নীরবে সমর্থন দিয়েছিলেন। রাজাকারের একটি ক্ষুদ্র দল ইসলামের নামে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করছে।’
জামায়াতে ইসলামকে উদ্দেশ্য করে ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, ‘যারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়, তৃণমূল পর্যায়ে যতোটুকু খবর আছে, তাদের মাজা ভেঙে গেছে। গণবিচার মঞ্চের আন্দোলনের মাধ্যমে তারা একেবারে নিচিহ্ন হয়ে যাবে।
সিনিয়র সাংবাদিক ও সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক আবেদ খান বলেন, ‘পাকিস্তানি ১৯৫ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আমরা ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে আইনগতভাবেই করতে পারি। আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ-গণবিচার নেতাদের সঙ্গে আলেম ওলামারা একমত হয়েছেন। তারা আমাদের আন্দোলনের সঙ্গে থাকবেন।’
সভায় গণবিচার আন্দোলনে যুগ্ম-আহ্বায়ক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন মিয়া, যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসমত কাদির গামা, সদস্য সচিব কামাল পাশা চৌধুরী, সদস্য সচিব কামরুল আলম সবুজ, আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা আব্দুল আলীম ফরিদী, ব্যারিস্টার জুনুদ উদ্দিন যাকতুম, মাওলানা ওয়ালি উল্লাহ, মাওলানা আবুল ফাতাহ কাসেমী, মাওলানা শফিকুল ইসলাম  প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।