তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবঃ) এম এ মালেক গত শুক্রবার সন্ধ্যায় অস্ট্রেলিয়ার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন জানতে পেরে আমি গভীরভাবে শোকাহত। বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের এক নাজুক স্পর্শকাতর ও গভীর সংকটময় সময়কালে মরহুম এম, এ মালেক পর্যায়ক্রমে সাফল্যজনকভাবে আরইবি ও পিডিবির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
জীবিতাবস্থায় তিনি ছিলেন মৃদুভাষী, সদালাপী ও অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী। সজ্জ্বল এই সাহসী মুক্তিযোদ্ধার জীবন, কর্ম ও সাধনা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিবিড়ভাবে উজ্জীবিত। মূলতঃ তার পতিপ্রাণা স্ত্রীর আকস্মিক মৃত্যুর পর থেকেই তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। তাই অবসর জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটছিল অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী একমাত্র পুত্রের কাছ থেকে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে অনেক কাছ থেকে দেখার সুযোগ আমার হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা তার সততা, সরলতা ও কর্মনিষ্ঠার জন্য তাকে খুবই পছন্দ করতেন। আমি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ তার শোকসন্তপ্ত পুত্রকন্যা, আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতজনদের এই আঘাত সইবার শক্তি দিন আমিন।
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
সাবেক প্রতিমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়
ও সাবেক সংসদ সদস্য, ৮৬ যশোর-২
ঝিকরগাছা, যশোর।

