ঢাকাSaturday , 9 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ডিজিটাল কনটেন্ট ও কানেক্টিভিটি বাড়ানোর তাগিদ

Link Copied!

Digital-Contant-তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক : সবার জন্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করতে দেশে ডিজিটাল কনটেন্ট এবং কানেকটিভিটি বাড়াতে তাগিদ দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাত সংশ্লিষ্টরা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত তিনব্যাপী গ্রামীণফোন স্মার্টফোন এবং ট্যাব মেলার শেষ দিন দুপুরে  আয়োজিত  ডিজিটাল কনটেন্ট ও কানেকটিভিটি নিয়ে বিশেষ সংলাপে বক্তারা এই তাগিদ দেন।
বাংলদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসানের সঞ্চালনায় সংলাপে অংশগ্রহণ করেন, গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন, বেসিসের সভাপতি শামীম আহসান, বাংলাদেশ মেবাইল ফোন ইমপোর্টার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ানুল হক, মাইক্রোসফট বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সোনিয়া বশির কবির, টেলিকম রিপোটার্স নেটওয়ার্ক বাংলাদেশের সভাপতি রাশেদ মেহেদী এবং বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি মুহাম্মদ খান।
সংলাপে রেজওয়ানুল হক বলেন, আমাদের অবশ্যই স্মার্ট ডিভাইসের যোগান দিতে হবে আগে। পাঁচ বছর আগে যখন মোবাইল আমদানি করা হতো তখন স্মার্টফোনের পরিমাণ ছিল মাত্র এক শতাংশ। তবে সেই পরিমাণ এখন বাড়তে শুরু করেছে। শুধু ২০১৪ সালে স্মার্টফোন বিক্রি হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ। আর ২০১৫ সালে সেই সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ লাখ। আমরা চেষ্টা করছি খুবই স্বল্প মূল্যে সবার হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়ার।
গ্রামীণফোনের চিফ কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন জরিপে দেখেছি দেশে এখনো ৯০ শতাংশের বেশি মানুষ মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকেন। গ্রামীণফোনের হিসেবে স্মার্ট ডিভাইসের ব্যবহারের গ্রোথ এখন ১৯ শতাংশ। আমাদের আসলে ইন্টারনেট পেনিট্রেশন বেড়েছে। এর সঙ্গে কনটেন্টও বাড়াতে হবে। অবশ্য এই কনটেন্ট বাড়াতে শুধু একটি অপারেটর কাজ করলে হবে না। সবাইকে কাজ করতে হবে।
রাশেদ মেহেদী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষরা তাদের কানেক্টিভিটি সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেবাকেন্দ্রের মাধ্যমে। তবে সেই কানেক্টিভিটি এখন ছড়িয়ে গেছে। আমাদের সবই আছে। অপটিক ক্যাবল কারখানা আছে, আছে পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুবিধা। আসলে আমাদের একটা ডিজিটাল হাইওয়ে দরকার। আর এর বাইরে দরকার তা হলো সরকারকে এর বাস্তবায়নে আরো সক্রিয় হওয়া। পদক্ষেপ নিতে হবে খুবই সতর্কতার সঙ্গে।
সোনিয়া বশির বলেন, আমাদের কাজ করতে হবে মানুষের প্রয়োজন বুঝে। তাই শুধু কনটেন্ট ডেভেলপড করলেই হবে না। এর সঙ্গে অবশ্যই আমাদের কানেক্টিভিটি নিশ্চিত করতে হবে। তবে আমার মনে হয় টেলিকম অপারেটরদের এই বিষয়ে ভূমিকা রাখতে হবে জোরালোভাবে।
শামীম আহসান বলেন, কনটেন্ট ও কানেক্টিভিটির জন্য অবশ্যই আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। এটা যেমন কোনো একক অপারেটরের ক্ষেত্রে সম্ভব না, তেমনি আবার একটি ইন্ডাস্ট্রির জন্যও নয়। আমরা বেসিস থেকে ইন্টারনেট পেনিট্রেশন বাড়াতে গত বছর ইন্টারনেট উইক আয়োজন করেছি। লক্ষ্য ছিল দেশে প্রতিবছর এক কাটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বাড়ানো। অবশ্য এর জন্য আমাদের কনটেন্ট যেমন বাড়াতে হবে একই সঙ্গে নিশ্চিত করতে হবে ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি।