ঢাকাWednesday , 6 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্লাসে ফিরেছেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা

Link Copied!

teacherনিজস্ব প্রতিবেদক : বেতনবৈষম্য নিরসন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের দাবিতে টানা দুই দিন কর্মবিরতি শেষে আজ  থেকে যথারীতি ক্লাসে ফিরেছেন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ডাকা দুই দিনের পূর্ণদিবস কর্মবিরতি গত সোমবার ও  মঙ্গলবার শেষ হয়েছে।
এর আগে ২২ ডিসেম্বর সংবাদ সম্মেলন করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বেতনবৈষম্য নিরসন, টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের জন্য সরকারকে চূড়ান্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল সংগঠনটির নেতারা। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ৪ ও ৫ জানুয়ারি পূর্ণদিবস কর্মবিরতিরও ঘোষণা দেয়া হয়েছিল সংবাদ সম্মেলন থেকে। সেই ঘোষণা অনুযয়ী এ দুদিন কর্মবিরতি পালন করেন সব সরকারি কলেজ, আলিয়া মাদরাসা, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, কমার্সিয়াল কলেজ ও সরকারি শিক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মরত ১৫ হাজার ২৮৯ জন বিসিএস শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তা।
দু’দিন পূর্ণদিবস কর্মবিরতির মূল্যায়ন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে বিসিএস সাধারণ শিক্ষাসমিতির  মহাসচিব আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার বাংলামেইল বলেন, ‘আনঅফিসিয়ালি শুনেছি আমাদের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য একটি কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনা হচ্ছে।’
অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী এ সমস্যা সমাধানের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন। অর্থমন্ত্রণালয় যদি এগিয়ে না আসে তাহলে কিছু করার নেই।’
পরবর্তী আন্দোলন প্রসঙ্গে সাধারণ শিক্ষক সমিতির মহাসচিব বলেন, ‘কাল থেকে আমাদের শিক্ষাকার্যক্রম আগের মতোই চলবে। ২২ জানুয়ারি আমাদের পরবর্তী সাধারণ সভা আছে। এর মধ্যে যদি সমস্যার সমাধান না হয় তাহলে আমরা ওই দিন পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করব।’
সাধারণত সরকারি কলেজের অধ্যাপকেরা চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা। সিলেকশন গ্রেড থাকায় এতদিন অধ্যাপকদের ৫০ শতাংশ গ্রেড-৩ এ যেতে পারতেন। কিন্তু সিলেকশন গ্রেড বাদ দেয়ায় এখন এই পথ বন্ধ হয়ে গেছে। এর ফলে পদমর্যাদার পাশাপাশি মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন বলে শিক্ষকরা দাবি করছেন।
শিক্ষকদের ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ব্যাচ ভিত্তিক প্রমোশন, নিজস্ব ক্যাডার বহির্ভূত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রেষণ বাতিল, নায়েমের ডিজি, পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়ারম্যান ও জেলা সদরের অনার্স বা মাস্টার্স রয়েছে এমন কলেজের অধ্যক্ষের পদ গ্রেড-১ এ উন্নীতকরণ এবং অন্যান্য ক্যাডারের সমান সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ।