ঢাকাSunday , 3 January 2016
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

১১৭ রানের জয়ে সিরিজে ফিরলো জিম্বাবুয়ে

Link Copied!

Zimbabweস্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম দুই ম্যাচ জেতার পর তৃতীয় ম্যাচেও কক্ষপথে ছিল আফগানিস্তান। জিম্বাবুয়েকে ১৭৫ রানে অলআউট করে দুই  ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল আফগানরা। কিন্তু লুক জঙ্গের মায়াবি স্পিন জালে ধুলিসাৎ হয়ে গেছে তাদের স্বপ্ন। উল্টো ৫৮ রানে গুটিয়ে গিয়ে লো স্কোরিং ম্যাচে আফগানদের হারতে হয়েছে ১১৭ রানের বড় ব্যবধানে। তারপরও পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে আফগানিস্তান ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে।
৫৮ রান আফগানিস্তানের ওয়ানডে ইতিহাসে সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড। এর আগে তাদের সর্বনিম্ন রানের রেকর্ড ছিল স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে। গত বছরের ১৪ জানুয়ারি আবুধাবিতে ৬৩ রানে অল আউট হয়েছিল আফগান শিবির। বছরখানেক পর শনিবার রাতে শারজাতে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সর্বনিম্ন ৫৮ রানের লজ্জার রেকর্ড গড়ল মোহাম্মদ নবীরা।
জিম্বাবুয়ের ছুঁরে দেওয়া ১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে স্কোরবোর্ডে কোন রান না উঠতেই আফগানদের ২ উইকেট চলে যায়। নুর আলী জাদরান এবং মোহাম্মদ নবী ফিরে যাওয়ার পরও ভরসার প্রতীক হয়ে ছিলেন আগের ম্যাচে অপরাজিত ১৩১ রানের ইনিংস খেলে আফগানিস্তানকে জেতানো মোহাম্মদ শাহজাদ। ১৬ রানে ফিরে যান অধিনায়ক আসগর স্ট্যানিকজাই (৬)। তারপরও একপ্রান্তে চার-ছয় মেরে রানের চাকাকে সচল রেখেছিলেন শাহজাদ। কিন্তু দলীয় ৩৯ রানে তিনি ফিরে যাওয়ার পরপরই আফগানিস্তানের ইনিংসে মোড়ক লেগে যায়। ৩৯ রানের মধ্যে ৩১ রানই এসেছে শাহজাদের ব্যাট থেকে। চার বাউন্ডারীর সঙ্গে ছয় মেরেছেন একটি।
৩৯ রানের সঙ্গে আর মাত্র ১৯ রান যোগ করতেই আফগানরা বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলে। শাহজাদ ছাড়া আর কেউই  দু’অঙ্কের কোঠা স্পর্শ করতে পারেননি। ফলে ১৬.১ ওভারে ৫৮ রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জা পোহাতে হয় আফগানিস্তানকে। অবশ্য তারা সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছে বাংলাদেশকেও। ২০১১  বিশ্বকাপে মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও যে সাকিব আল হাসানের দল গুটিয়ে গিয়েছিল ওই  ৫৮ রানেই।
এদিন আফগানদের ধসিয়ে দেওয়ার কাজটা করেছেন লুক জঙ্গে। তিনি  মাত্র ৫.১ ওভার বল করে মাত্র ৬ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। নেভিলে মাদিভা ২৭ রানে ৩টি এবং টেন্ডাই চিসোরো ১৮ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।
এরআগে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটাও হয়েছিল ভয়ংকর। ঠিক আফগানদের মতো তাদেরও শূন্য রানে হারাতে হয়েছিল ২ উইকেট। তৃতীয় উইকেটে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা এবং রিকমন্ড মুতামবামি ৩৩ রান যোগ করে জিম্বাবুয়েকে ম্যাচে ফেরানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু মোহাম্মদ নবী মুতামবামিকে (১৪) ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙার পরপরই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং। ৩৩ থেকে ৪৯ এই ১৬ রানের মধ্যে তারা হারিয়ে বসে ৪ উইকেট ।৪৯ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুকতে থাকা জিম্বাবুয়েকে টেনে তোলে মাসাকাদজা এবং গ্রেয়াম ক্রেমারের অষ্টম উইকেট জুটি। দু’জনে মিলে ১০৪ রান যোগ করেন। যেখানে ক্রেমারের অবদান ৭৫ বলে ৫৮। চার-ছক্কা মেরেছেন সমান তিনটি করে। ৪৮.৩ ওভারে শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে মাসাকাদজার ব্যাট থেকে এসেছে ১৩৮ বলে ৮৩। ছয় চারের সঙ্গে তিনি ছক্কা মেরেছেন তিনটি। মিরওয়াইস আশরাফ ২০ রানে ৩টি, দৌলত জাদরান ২৫ এবং ৩৫ রান দিয়ে পেয়েছেন ২টি করে উইকেট। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা। একই মাঠে চতুর্থ ম্যাচটি হবে সোমবার।