স্পোর্টস ডেস্ক : না, বানান ভুল হয়নি। শিরোনাম ঠিকই আছে। ব্যালন ডি’অর নয় স্যালন ডি’অর। প্রশ্ন উঠতেই পারে এ কেমন অ্যাওয়ার্ড রে বাবা। তবে বিশ্বখ্যাত ফুটবলের ওয়েবসাইট গোলডটকমের বদৌলতে স্যালন ডি‘অরও বেশ জনপ্রিয় হচ্ছে দিনকে দিন।
পুরো বছরে আন্তর্জাতিক ও ক্লাব ফুটবলে দুর্দান্ত নৈপুণ্যের জন্য দেয়া হয় ফিফা ব্যালন ডি‘অর পুরস্কার। সর্বশেষ এই অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন রিয়াল মাদ্রিদের পর্তুগিজ উইঙ্গার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আগামী জানুয়ারীতে দেয়া ২০১৫ সালের অ্যাওয়ার্ড। যেখানে সংক্ষিপ্ত তিনজনের তালিকায় মেসি-নেইমারের সঙ্গে আছেন রোনালদোও। কে জিতবেন এবারের ব্যালন ডি’অর, তা জানা যাবে সময় হলেই।
তবে তার আগে আরও একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে, কে জিতবেন এবারের স্যালন ডি‘অর। ব্যালন ডি’অর না হয় গোটা বছরের পারফরম্যান্সের পুরস্কার, কিন্তু স্যালন ডি’অর? হ্যাঁ এটারও বিশেষত্ব আছে। এই পুরস্কারও জেতেন কোন ফুটবলারই। তবে তা, মাঠের পারফরম্যান্সের কারণে নয়, হেয়ারস্টাইলের কারণে। বাহারি চুলের স্টাইলই এই পুরষ্কারের নেপথ্যে কাজ করে। যার চুলের স্টাইল যত বেশী চিত্তাকর্ষক, তারাই পায় এমন পুরস্কার। ভোট দেন গোলডটকমের পাঠকেরা।
মজার ব্যাপার হলো, গত বছর থেকে এমন পুরস্কার চালু করেছে গোলডটকম। প্রথমবারেই এই পুরস্কার জিতেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (২০১৪)। সবার মনে প্রশ্ন, এবারও কি স্যালন ডি’অর জিতবেন রোনালদো?
গতবার পাঠকদের শতকরা ৩২.৭ ভাগ ভোট পেয়ে স্যালন ডি‘অর জিতেছিলেন রোনালদো। সেখানে শতকরা ৯.৪ ভাগ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন ইতালির আন্দ্রে পিরলো। ৭.৯ ভাগ ভোট নিয়ে তিন নম্বরে ছিলেন বার্সেলোনার ব্রাজিলিয়ান তারকা ফুটবলার নেইমার।
২০১৪ সালে রোনালদোর হেয়ার স্টাইল নিয়ে কম কথা হয়নি। স্বয়ং তখনকার ফিফা সভাপতি সেফ ব্লাটার রোনালদোকে ইঙ্গিত করে বলেছিলেন, ‘একজন ফুটবলার মাঠের চেয়ে চুলের পেছনেই বেশী সময় দেন। তবে এমন হেয়ারকাটে তাকে বেশ সেনাপতির মতো লাগে।’ ব্লাটারের এমন জবাব অবশ্য রোনালদো দিতেন মাঠে। গোল করার পর সাইডলাইনে এসে স্যালুট জানাতেন সৈনিকের ভঙ্গিতে।

