ঢাকাWednesday , 30 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টেস্ট বাঁচাতে লড়ছে দ. আফ্রিকা

Link Copied!

englend-south-africaস্পোর্টস ডেস্ক : টেস্টের এক নম্বর দল দক্ষিণ আফ্রিকাকে টেস্ট বাঁচাতে লড়তে হচ্ছে। তাও আবার ঘরের মাঠে। বাংলাদেশে ওয়ানডে সিরিজ খোয়ানো, তারপর ভারত সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজে দাঁড়াতে না পারাটাই প্রোটিয়াদের মনোবল অনেকটা ভেঙে দিয়েছে। যার মাশুল গুণতে হচ্ছে ডারবান টেস্টে। ইংল্যান্ডের ছুঁরে দেওয়া ৪১৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিন শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার তুলতে পেরেছে ১৩৬ রান। উইকেট চলে গেছে ৪টি। জিততে হলে আরও করতে হবে ২৮০ রান। আশা-ভরসার প্রতীক হয়ে রয়েছেন এবি ডি ভিলিয়ার্স ৩৭ রান নিয়ে। তার সঙ্গী নাইটওয়্যাচম্যান ব্যাটসম্যান ডেল স্টেইন এখনও রানের খাতাই খুলতে পারেননি।
এদিন ইংল্যান্ড আগের দিনের ৩ উইকেটে ১৭২ রান নিয়ে চতুর্থ  দিন শুরু করে। ৬৪  রানে অপরাজিত থাকা রুট আর মাত্র ৯ রান যোগ করে ৭৩ রান করে কাইল অ্যাবটের বলে ফন জেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন। অবশ্য রুট ভারতের বিরেন্দর শেবাগের একটি রেকর্ডে ভাগ বসিয়েছেন। টেস্ট ক্রিকেটে এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ১৩টি ফিফটির রেকর্ড ছিল শেবাগের। ২০১০ সালে তিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন। এতদিন শেবাগ একা থাকলেও রুটকে সঙ্গী হিসেবে পেয়ে গেলেন। তিনিও যে ১৩টি ফিফটি হাঁকিয়েছেন। শেবাগ-রুট দু’জনই ১৪টি করে টেস্ট খেলেছেন।
রুটের বিদায়ের পর জেমস টেলরকে নিয়ে ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাট করেন জনি বেয়ারস্টো। তিনি মাত্র ৭৬ বলে নয় চার আর তিন ছক্কায় খেলেন ৭৯ রানের ইনিংস। টেলরের ব্যাট থেকে এসেছে ৯৭ বলে ৪২। এছাড়া ক্রিস ওকস করেন ৩৮ বলে  ২৩। ইংল্যান্ড সবকটি উইকেট হারিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২৬ রান জমা করে। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য দরকার পড়ে ৪১৬ রান। ডেন পিডেট ১৫৩ রানে তুলে নিয়েছেন ৫ উইকেট। ফন জেল ২০ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। চোটে পড়া স্টেইন এদিন আর বলই হাতে নেননি।
প্রায় অসম্ভব ৪১৬ রানের লক্ষ্যর পিছু নিয়ে শুরুটা ভালোই করেছিলেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ডিন এলগার এবং ফন জেল। ১০.৫ ওভারেই তারা তুলে ফেলেন ৫৩ রান। ফন জেলকে (৩৩) বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন বেন স্টোকস। এরপর স্টিভেন ফিনের জোড়া আঘাতে ব্যাকফুটে চলে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ২১তম ওভারে তিনি হাশিম আমলাকে (১২) বেয়ারস্টোর ক্যাচ বানিয়ে ফেরান। পরের ওভারে এসে এলগারকে (৪০) রুটের হাতে ক্যাচ দিতে বাধ্য করান ফিন।
ফ্যাফ ডু প্লেসিসকে নিয়ে এবি ডি ভিলিয়ার্স চতুর্থ দিনটা প্রায় পারই করে ফেলেছিলেন। একেবারে শেষ বেলায় শেষ ওভারে ধাক্কাটা দেন ওই ফিনই। এবার তিনি ফিরিয়ে দেন ৬৬ বলে ৯ রান করা ডু  প্লেসিসকে। ডি ভিলিয়ার্স ৮৩ বলে ছয় বাউন্ডারীর সাহায্যে ৩৭ রানে অপরাজিত আছেন। পঞ্চম এবং শেষ দিনে জিততে দক্ষিণ আফ্রিকার দরকার আরও ২৮০ রান। হাতে আছে ৬ উইকেট। এই টেস্ট বাঁচাতে হলে ডি ভিলিয়ার্সকেই বড় কিছু করে দেখাতে হবে! তা না হলে হয়তো আরেকটি পরাজয়ই বরণ করতে হবে প্রোটিয়াদের! সেক্ষেত্রে টেস্টের এক নম্বর জায়গাটও হারাতে হতে পারে। ফিন ২৭ রানে ৩টি এবং  স্টোকস ২৬ রানে পেয়েছেন একটি উইকেট।