ঢাকাThursday , 24 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নাটকীয় জয়ে শুরু শ্রীলংকার

Link Copied!

saffস্পোর্টস ডেস্ক : শুরুটা ম্যাড়মেড়ে হবে? কেরালার ত্রিবান্দ্রাম স্টেডিয়ামে তেমনটিই বোঝা যাচ্ছিল। কিন্তু না, ম্যাচের শেষের দিকে নাটক জমিয়ে দিল শ্রীলংকা। অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে দারুণ এক গোল মোহাম্মদ রিফনাসের। নেপালের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে শ্রীলংকার রুদ্ধশ্বাস জয়। লংকানদের এমন স্মরণীয় এক জয় দিয়েই বুধবার পর্দা উঠেছে দক্ষিণ এশিয়ার বিশ্বকাপ খ্যাত সাফ সুজুকি ফুটবল টুর্নামেন্টের।
সন্ধ্যা সাতটায় সাফ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয় নেপাল ও শ্রীলংকা। শুরু থেকে আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ হলেও গোলের দেখা মিলছিল না। প্রথমার্ধ কাটে গোলশূন্য অবস্থায়।
দ্বিতীয়ার্ধের চিত্রও তাই। নির্ধারিত ৯০ মিনিট থাকল গোলশূন্য। ড্র দিয়ে সাফ ফুটবল শুরু হতে যাচ্ছে, এমন ধারণা তখন সবার। তবে অতিরিক্ত সময়ের শেষ মুহূর্তে পাল্টা আক্রমণে যায় শ্রীলংকা। নেপাল অধিনায়ক বিরাজের এক ভুলকে কাজে লাগান শ্রীলংকার মোহাম্মদ রাফনিস।
ম্যাচের বাকি তখন ৩০ সেকেন্ড। দক্ষতার সঙ্গে করেন লক্ষ্যভেদ করে রাফনিস। বল জড়ায় নেপালের জালে। এর একটু পরেই ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজান রেফারি। শেষ মিনিটের গোলে দারুণ এক জয় পাওয়া লংকান শিবির তখন উৎসবে মাতোয়ারা। অথচ পুরো ম্যাচে বলতে গেলে আধিপত্য ছিল নেপালেরই। গোলের সুযোগও তারা বেশী পেয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে শ্রীলংকাই।
এ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আগামী ২৫ ডিসেম্বর স্বাগতিক ভারতের মুখোমুখি হবে শ্রীলংকা। ২৭ ডিসেম্বর গ্রুপের শেষ ম্যাচে ভারত মোকাবেলা করবে নেপালের।
সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন বা সাফের আট সদস্য বরাবরই এ টুর্নামেন্টে খেলে আসছে। তবে এবার ব্যতিক্রম। শেষ মুহূর্তে নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে পাকিস্তান। ফলে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা এখন সাত।
বাংলাদেশের মিশন শুরু হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে। প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শক্তিশালী আফগানিস্তান, যারা টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন। একই দিন নিজেদের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও ভুটান। বি গ্রুপে বাংলাদেশের অপর দুই প্রতিপক্ষ হলো মালদ্বীপ ও ভুটান। যাদের সঙ্গে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ যথাক্রমে ২৬ ও ২৮ ডিসেম্বর।
এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ১০টি আসরের মধ্যে ছয়টির শিরোপা জিতেছে ভারত। মোট নয়বার ফাইনালে খেলেছে তারা। স্বাভাবিকভাবেই এবারও তারাই ফেভারিট। ভারত ১৯৯৩, ১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০৫, ২০০৯ ও ২০১১ সালের চ্যাম্পিয়ন। শ্রীলঙ্কা ১৯৯৫, বাংলাদেশ ২০০৩, মালদ্বীপ ২০০৯ ও আফগানিস্তান ২০১৩ সালে শিরোপা জয় করে।