স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) তৃতীয় আসরের সামগ্রিক আয়োজন নিয়ে সন্তুষ্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। আগের দুটি আসরের তুলনায় এবারের আয়োজনে সমস্যা ছিল কম। রোববার সংবাদ সম্মেলনে এমন দাবি করেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।
আগের দুটি আসরেই খেলোয়াড়দের পাওনা পরিশোধ নিয়ে সমস্যা ছিল। এবার তেমনটি হওয়ার সম্ভাবনা নেই উল্লেখ করে পাপন বলেন, ‘কুমিল্লা ও চিটাগং ইতোমধ্যে সব খেলোয়াড়ের পাওনা পরিশোধ করেছে। রংপুর বিদেশীদের পাওনা শতভাগ পরিশোধ করেছে। দেশীয়দের ৭৫ ভাগ পাওনা দিয়েছে দলটি। বাকি তিনটি দল বরিশাল, ঢাকা ও সিলেট সব খেলোয়াড়ের ৭৫ শতাংশ পাওনা পরিশোধ করেছে। বাকিটাও খুব দ্রুত পরিশোধ করে দেবে।’
বিপিএল শুরুর কিছুদিন আগেই অস্ট্রেলিয়া দল নিরাপত্তা অজুহাতে বাংলাদেশ সফর বাতিল করে। দক্ষিণ আফ্রিকা মেয়েদের দলও আসেনি সফরে। এ অবস্থায় বিপিএল আয়োজনের মধ্য দিয়ে এটি প্রমাণিত হয়েছে যে, বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী তৎপরতা নেই। এমন অভিমতই নাজমুল হাসান পাপনের। তিনি জানিয়েছেন, বিপিএলে বিদেশি ৬৫জন খেলোয়াড় ছিল। ৬ জন কোচ ও ফিজিও ছিল। বিদেশীদের এই সরব উপস্থিতির মধ্যেও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে এ দেশে জঙ্গিবাদের কোনো স্থান নেই।
এছাড়াও দর্শকদের মধ্যে এবারের বিপিএল তুলনামূলক ভালো সাড়া ফেলেছে বলে মনে করেন বিসিবি সভঅপতি। এর মধ্যেও ছোট-খাট কিছু বিতর্ক ছিল। টিকিট ছাড়াই দল বেঁধে ঢাকা ডায়নামাইটস সমর্থকদের স্টেডিয়ামে প্রবেশ, সিলেটের দুই বিদেশী খেলোয়াড়ের ছাড়পত্র নিয়ে তামিমের সঙ্গে সিলেট দলের মালিকের খারাপ আচরণ ও চট্টগ্রামে একটি ম্যাচ নিয়ে ফিক্সিংয়ের কিছুটা গুঞ্জন রয়েছে। প্রথম দুটি অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে ভবিষ্যতে সতর্ক থাকবে বিসিবি।
তবে ফিক্সিং নিয়ে এখনই কিছু বলতে চান না নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, ‘ফিক্সিং নিয়ে কোনো দল, খেলোয়াড় বা কর্মকর্তা অভিযোগ করেনি। আকসু থেকেও এ ব্যাপারে কিছু জানতে চাওয়া হয়নি। তাই এখন এই ব্যাপারে কোনো বক্তব্য দেবেন না।’

