ঢাকাSunday , 20 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তৃতীয় শিরোপার সন্ধানে বার্সা

Link Copied!

BARSAস্পোর্টস ডেস্ক : ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে বার্সেলোনা এর আগে ফাইনালে খেলেছে তিনবার। এর মধ্যে শেষ দুবারই জিতেছে শিরোপা। সবশেষ ২০১১ সালে ব্রাজিলের ক্লাব সান্তোসকে হারিয়ে শিরোপা ঘরে তুলেছিল কাতালানরা। এরপর তিন বছর বিরতি। মূলত: উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগেই এ সময়ে তারা জিততে পারেনি। মাঝে তিন বছর বিরতি দিয়ে আবারো গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে এবার ক্লাব বিশ্বকাপে খেলছে বার্সা। সেই মিশনে রবিবার বিকাল সাড়ে চারটায় ফাইনালে আর্জেন্টিনার ক্লাব রিবার প্লেটের বিপক্ষে মাঠে নামবে দলটি। তাই নিজেদের টানা তৃতীয় আসরে শিরোপা জয়ের হাতছানি এখন মেসিদের সামনে।
এর আগে ২০০৯ ও ২০১১ সালে বার্সা জিতেছে ক্লাব বিশ্বকাপ শিরোপা। সেই দুবার জয়ের স্মৃতি নিয়ে এবারও পাঁচজন নামছেন মাঠে। তারা হলেন লিওনেল মেসি, আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা, সার্জিও বুসকেটস, জেরার্ড পিকে ও দানি আলভেজ। তবে কিডনিতে পাথর ধরা পড়ে অস্ত্রোপচারের কারণে মেসির খেলাটা নিশ্চিত নয়।
এটি মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে একাদশ বারের মতো হচ্ছে ক্লাব বিশ্বকাপ। এখনো পর্যন্ত এই প্রতিযোগিতায় একাধিকবার শিরোপা জিতেছে কেবল ব্রাজিলের কোরিন্থিয়ান্স ও স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। এবার বার্সা ফাইনালে জিতলে প্রথম দল হিসেবে তৃতীয়বারের মতো জিতবে বিশ্বসেরা ক্লাবের এই খেতাব। অপরদিকে রিবার প্লেট ১৯৮৬ সালে আন্ত:মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের পর এবারই প্রথম কোনো ক্লাব বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলছে।
বার্সার একাদশের দুজন খেলোয়াড় ফাইনালের প্রতিপক্ষ রিবার কাপের জার্সি গায়ে আগে খেলেছেন। তারা হলেন আর্জেন্টিনার মাশ্চেরানো ও সেভিওলা। এর মধ্যে মাশ্চেরানো বুয়েন্স আয়ার্স ভিত্তিক ক্লাবটিতে খেলেন ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত। অপরদিকে সেভিওলা ২০০১-০৪ ও ২০০৬-০৭ সময়ে রিবারের হয়ে খেলেছেন। তারা উভয়ে পরে কাতালান ক্লাবে যোগ দেন। এখন নিজের সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে তারা লড়বেন।
ফাইনালে বার্সার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ লুইস সুয়ারেজ। যিনি মেসির অনুপস্থিতিতে সেমিফাইনালে গুয়াংজুর বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে দলকে ফাইনালে এনেছেন। ক্লাব বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটিই ছিল প্রথম হ্যাটট্রিক। এর আগে আন্ত:মহাদেশীয় কাপে ১৯৬২ সালে সান্তোসের হয়ে বেনফিকার বিপক্ষে একমাত্র হ্যাটট্রিক করেছিলেন ব্রাজিলের লিজেন্ড পেলে।