ঢাকাMonday , 7 December 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

৪ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে ধর্ষণ

Link Copied!

rapeটাঙ্গাইল প্রতিনিধি : জেলার ঘটাইল উপজেলায় চারদিন আটকে রেখে এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে একদল বখাটে যুবক। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিন যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরী (১৫) এলাকাবাসীর সহায়তায় রোববার বাদী হয়ে ৮ যুবককে আসামি করে ঘাটাইল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছে।
আটককৃতরা হলেন- ময়মনসিংহের মুক্তগাছা থানার দড়িকাঠ বওলা গ্রামের নজরুল ইসলামের ছেলে হাফিজুর রহমান (১৯), ঘাটাইল উপজেলার হাতিমারা গ্রামের সাবেক মেম্বার হেলাল মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া (২৫), শোলাকুড়ি গ্রামের আব্দুর রহমান মাস্টারের ছেলে সবুজ মিয়া (২৫)।
মামলার অপর আসামিরা হলেন- সোহেল (২০), উজ্জ্বল মিয়া (২৬), উজ্জ্বল হোসেন (২২), শাহজাহান মিয়া (২৬) ও জোসনা বেগম। এদের বাড়ি ঘাটাইল উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।
মামলার বিবরণ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই কিশোরীর তার মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে থাকতেন। ২০ দিন আগে একই উপজেলার বেইলা গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে সবুজের সঙ্গে কিশোরির বিয়ে হয়। একাধিক স্ত্রী থাকায় এবং বয়স বেশি হওয়ার কারণে কিশোরী তার কাছে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। এর ফলে গত এক সপ্তাহ আগে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এ নিয়ে তার মা তাকে বকাঝকা এবং মারপিট করে। এতে সে রাগ করে গত ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় কাউকে না বলে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে যায়। সে বাসে উপজেলার চারিয়াবাইদ গ্রামে তার খালার বাড়ি যাওয়ার সময় সাগড়দিঘি বাজারে নামে। এ সময় মজনু মিয়া (২৬) নামে এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে স্থানীয় বাজারের একটি হোটেলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে মজনুসহ আরো ৮ যুবক মিলে তাকে উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ করে।
অবশেষে মজনু মিয়ার বাড়িতে থাকা অবস্থায় বিষয়টি এলাকাবাসীর নজরে আসে। এ সময় কিশোরী এলাকাবাসীর সহায়তায় বিষয়টি ঘাটাইল থানা পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ ধর্ষক মজনু মিয়ার বাড়ি থেকে ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত হাফিজার, মজনু ও সবুজকে আটক করে পুলিশ। আটককৃত তিনজনকে টাঙ্গাইল জেলা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ধর্ষিতা নিজে বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে মামলা করেছে।  ধর্ষিতা কিশোরীকে গতকাল রোববার টাঙ্গাইল মেডিকেল হাসপাতালে ডাক্তাইর পরীক্ষা করা হয়েছে। বয়স পরীক্ষার জন্য গতকাল সোমবার তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান ও মামলার তদন্ত কাজ চলছে।