নিজস্ব প্রতিবেদক : বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে বসবাসরত মানুষের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পর্যটনের বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে।
মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রূপসী বাংলা হোটেল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘রূপসী বাংলার রূপের কথা বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে নিরন্তর পৌঁছে দিতে হবে, যাতে পর্যটকরা বাংলাদেশর রূপের মোহে আকৃষ্ট হয়। পর্যটকদের উষ্ণ আতিথেয়তা, স্বাচ্ছন্দময় দিনযাপনে হোটেল ও মোটেলসমূহের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
সরকার ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ ঘোষণা করেছে উল্লেখ করে এর সাফল্য নিশ্চিত করতে হোটেলসমূহের ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন, কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, উন্নত সেবার মানসিকতার মাধ্যমে পর্যটকদের মন জয় করতে হবে বলে পরামর্শ দেন মন্ত্রী।
রূপসী বাংলা হোটেলের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, ৭১’র ২৫ মার্চ পাক বাহিনীর নির্মম গণহত্যার কালরাতে ও মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এ হোটেলে (সে সময়ের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল) অনেক বিদেশি সাংবাদিক অবস্থান করে পাকবাহিনীর নির্মমতার কথা তুলে ধরেছিলেন, যার কারণে বিশ্ববাসী বাংলাদেশে মানবতার বিরুদ্ধে সংঘটিত ভয়াবহতার কথা জানতে পেরেছিল।

